advertisement
আপনি পড়ছেন

ধর্ম ব্যবসার আড়ালে শারীরিক চাহিদার ধান্দা চালিয়ে যাওয়া রাম রহিমের আস্তানা সম্পর্কে ভয়ংকর সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এবার জানা গেল, তার আস্তানায় পাওয়া গেছে অন্তত ৬০০ মানুষের কংকাল। কঙ্কালগুলো সম্পর্কে লোমহর্ষক তথ্য দিয়েছেন রাম রহিমের ডেরার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা।

ram rahim india

বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, সম্প্রতি রাম রহিমের আস্তানার ব্যবস্থাপক বিপাসনা ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পি আর নাইনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি)। ওই জিজ্ঞাসাবাদেই পি আর নাইন তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে এসব তথ্য দিয়েছেন। জানা গেছে, হত্যার পর মাটিচাপা দিয়ে বৃক্ষরোপণ করেছেন রাম রহিম নিজেই।

রাম রহিমের ঘনিষ্ঠ সহচর পি আর নাইন এর কথা শুনে চমকে উঠেছেন গোয়েন্দারা। তিনি গোয়ান্দাদের জানান, রাম রহিমের আস্তানায় হত্যার পর প্রায় ৬০০ কংকাল মাটিচাপা দেয়া হয়। এরপর কংকালগুলোর ওপর গাছের চারাও রোপণ করা হয়। এ কাজের জন্য রাম রহিম একজন জার্মান বিজ্ঞানীর পরামর্শও নিয়েছেন! জবানবন্দির পক্ষে ওই ব্যক্তিরা গোয়েন্দাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণও উপস্থাপন করেন।

অন্যদিকে হরিয়ানার পানিপথে রাম রহিমের অনুসারী ছিলেন এমন এক নারী অভিযোগ করেছেন, ১২ বছর আগে সেবার জন্য সন্তানকে ডেরায় পাঠাতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছিল ডেরা কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞাপন দেখার পর ডেরায় সেবার জন্য তিনি তার সন্তানকে পাঠিয়েছিলেন। কারণ তিনি রাম রহিমের ভক্ত ছিলেন। তারপর থেকে তিনি তার সন্তানের আর কোনো খোঁজ পাননি।

ফলে রাম রহিমের আস্তানায় অভিযান এবং তার সহযোগীদের দেয়া জবানবন্দির পর রাম রহিমকে নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এর আগে গত ২৮ আগস্ট দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের অভিযোগে করা দুটি মামলায় রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছর করে মোট ২০ বছর কারাদণ্ড দেয় আদালত। এতে রাম রহিমের অন্ধ ভক্তরা পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ালে অন্তত ৩১ জন নিহত ও ২৫০ জন আহত হন।