আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 57 মিনিট আগে

শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে হামলা চালায় অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত উগ্রবাদী সন্ত্রাসী ব্রেনটন টারান্ট। জুমার নামাজরত মুসল্লিদের ওপর টারান্টের চালানো নির্বিচার গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫০ জন। আহত হয় অন্তত ৬০ জন।

hamza and khaled

এর মধ্যে আল নুর মসজিদে বর্বর হামলা চালায় টারান্ট। আর এই মসজিদেই জুমার নামাজ আদায় করতে যান সিরীয় শরণার্থী নারী সালওয়া মুস্তফা স্বামী খালেদা মুস্তফা (৪৪), বড় ছেলে হামজা (১৬) এবং ছোট ছেলে জাইদ (১৩)।

সেই দিনের ভয়াবহ নৃশংসতায় আল নুর মসজিদে যারা প্রাণ হারান তাদের মধ্যে রয়েছেন খালেদ মুস্তফা ও হামজা। আর জাইদ পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে কোনো রকম পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

ক্রাইস্টচার্চের একটি হাসপাতালে জাইদের চিকিৎসা চলছে। সেখানেই রোববার স্থানীয় গণমাধ্যম স্টাফ.কো.এনজেদ- দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের পরিবারের বিপর্যয়ের কথা তুলে সালওয়া মুস্তাফা। বলেন, ‘আমাদের জীবন পুরোপুরি ওলট-পালট হয়ে গেল।’

হামলাকারী সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে মাত্র কয়েক মাস আগে নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমানো ওই সিরীয় শরণার্থী বলেন, হামলাকারীর ব্যাপারে তার কিছু বলার নেই।

তিনি বলেন, ‘আল্লাহ তার শাস্তি দেবেন, আমার স্বামী ও সন্তান এখন জান্নাতে আছেন; আমরাও তাদের কাছে যাচ্ছি, তাদেরকে অনুসরণ করে আমরাও জান্নাতে (তাদের কাছে) যাচ্ছি।’

তবে দেশটিতে সিরিয়ান সলিডারিটির মুখপাত্র আলী আকিল বলছেন, এই ঘটনাকে কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা ঠিক না।

লোকজনকে নিরাপদ করতে কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

আকিল বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবার নিরাপদ বোধ করছে না, সোমবার আমার সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যেতে হবে- কিন্তু আমার স্ত্রী আতঙ্কিত। সকল মুসলিম, সকল অভিবাসী এবং এই দেশের সকল বর্ণের মানুষ এই মুহূর্তে নিরাপদ বোধ করছি না।’