advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 32 মিনিট আগে

মিয়ানমারের রাখাইনে থেকে যাওয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর এবার হেলিকপ্টার থেকে হামলা চালাচ্ছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এ হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ রোহিঙ্গা নিহত এবং আরো এক ডজনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

myanmar attack helicopter

রেডিও ফ্রি এশিয়ার খবরে বলা হয়, বুধবার বুথিডংয়ের ছেইদিন পাহাড়ি অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’র সঙ্গে সরকারি সেনাদের লড়াই হয়েছে। দুটি সশস্ত্র বাহিনীর এ সংঘাতে এ সব রোহিঙ্গা হতাহত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হেলিকপ্টার থেকে সেনাবাহিনী বৃষ্টির মতো গুলি ছোড়ে। এ সময় রোহিঙ্গারা ছেইদিন অঞ্চলে বাঁশ সংগ্রহ করছিলেন। ফলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

স্বজন হারানো একজন রোহিঙ্গা বলেন, ‘অন্তত ১০ রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হয়েছি। ঘটনাস্থলটি খুবই দুর্গম হওয়ায় কোনো লোকজন কিংবা নৌকা যেতে পারছে না। এ পর্যন্ত সেখান থেকে সাতজনের লাশ উদ্ধার করে গ্রামে আনা হয়েছে।’

এদিকে একজন আইনপ্রণেতা ও স্থানীয় গ্রামবাসীর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার রাখাইনের বুথিডং শহরে একটি রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবারের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৫ রোহিঙ্গা নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন।

এতে আরো বলা হয়, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযানের সময় বুথিডং এলাকার প্রায় সব গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বুধবার যে গ্রামটি হামলার শিকার হয়েছে তা ওই সময় বাদ পড়েছিল।

এ বিষয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুন তুন নাইয়ি জানান, যথাসময়ে ঘটনাটি সম্পর্কে ‘প্রকৃত সংবাদ’ জানানো হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে পুলিশ চেক পোস্টে হামলার কথা বলে রোহিঙ্গাবিরোধী ভয়ংকর অভিযান চালায় মিয়ানমার আর্মি। এতে বেশ কয়েক হাজার রোহিঙ্গা নিহত এবং কয়েক লাখ আহত হন। নৃশংস ওই অভিযানের শিকার হয়ে সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

sheikh mujib 2020