advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 32 মিনিট আগে

গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের কোনো অধিকার নেই- আমেরিকাকে সে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে লেবানন। গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের কথিত সার্বভৌমত্বকে বৈরুত স্বীকৃতি দেবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

us delegation lebanon

শুক্রবার লেবানন সফররত একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল রাজধানী বৈরুতে প্রেসিডেন্ট আউনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি গোলান মালভূমি সম্পর্কে তার দেশের অবস্থান স্পষ্ট করে এসব কথা বলেন বলে খবর দিয়েছে পার্সটুডে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, গোলানের ব্যাপারে বৈরুতের সুস্পষ্ট অবস্থান হলো- ওই ভূখণ্ডের ওপর ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব প্রত্যাখ্যান, বিশেষ করে শেবা কৃষিখামার ও কাফরশুবা পাহাড়কে গোলানের অন্তর্গত করার ঘোর বিরোধিতা করছে লেবানন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার কাছ থেকে দখল করা গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের কথিত সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়ার পর ওই মার্কিন প্রতিনিধি দল বৈরুত সফর করলো। লেবাননের প্রেসিডেন্ট এর আগে ট্রাম্পের ঘোষণার পর পরই ওই ঘোষণার ঘোর বিরোধিতা করে একে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় তেলআবিব সিরিয়ার কাছ থেকে কৌশলগত এই এলাকাটি দখল করে নেয়। একই সময়ে লেবাননের শেবা কৃষিখামার ও কাফরশুবা পাহাড়কেও জবর দখল করে নিয়েছিল তেলআবিব। তবে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহল কখনই এই দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি।

কিন্তু আন্তর্জাতিক নীতি ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গত ২৫ মার্চ গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেন ট্রাম্প।

sheikh mujib 2020