advertisement
আপনি দেখছেন

সৌদি জোটের অবরোধের মুখে থাকা উপসাগরীয় দেশ কাতারে তুর্কি সামরিক ঘাঁটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। শিগগিরই তা চালু করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোয়ান। বিখ্যাত মুসলিম সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদের নামানুসারে ঘাঁটিটির নামকরণ করা হচ্ছে।

turkish bases in qatar erdoganকাতারে তুর্কি ঘাঁটি এরদোয়ান

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির আমন্ত্রণে তুরস্ক-কাতার সর্বোচ্চ কৌশল কমিটির পঞ্চম বৈঠকে অংশ নিতে গতকাল রাষ্ট্রীয় সফরে দোহায় পৌঁছান এরদোয়ান। সকালের এ বৈঠক শেষ করে কাতারের আমিরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরে ঘাঁটিতে মোতায়েন ৫ হাজার তুর্কি সেনার সঙ্গেও দেখা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, তুরস্কের কাছ থেকে ১০০টি অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক কিনতে চায় কাতার। এ বিষয়ে অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন শেখ তামিম।

দুই দেশের কৌশলগত কমিটির বৈঠক শেষে এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক-কাতারি জয়েন্ট ফোর্স কমান্ড কেবল কাতারের জন্য নয়, পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করবে। এ বাহিনীর ঘাঁটির নাম মহানবীর (সা.) সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদের নামানুসারে রাখা হচ্ছে। বীরত্বের জন্য এই সেনাপতিকে ‘সাইফুল্লাহ’ বা আল্লাহর তরবারি উপাধি দেয়া হয়।

turkish bases in qatar erdogan 1কাতারে তুর্কি ঘাঁটিতে এরদোয়ান ও শেখ তামিম

এ ঘাঁটিকে ভ্রাতৃত্ব, বন্ধুত্ব, সৌহার্দ ও আন্তরিক সম্পর্কের প্রতীক উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা বন্ধুকে কখনোই বিপদের মুখে একা ফেলে যাই না। ইতিহাস সাক্ষী, এমনটি অতীতেও ঘটেনি, ভবিষ্যতেও কখনো ঘটবে না।

২০১৭ সালে কাতারের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে অবরোধ চাপিয়ে দেয় সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশ। সেই সময় কাতারের তুর্কি ঘাঁটিতে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে তুরস্ক। জরুরি খাদ্যসহ অন্যান্য সামগ্রী পাঠিয়ে কাতারের পাশে দাঁড়ায় দেশটি।

২০১৬ সালের জুলাই মাসে তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথম কোনো বিশ্ব নেতা হিসেবে এরদোয়ানকে ফোন করে সমর্থন জানান কাতারের আমির শেখ তামিম। সেইসঙ্গে এরদোয়ানের নিরাপত্তায় কাতারের বিশেষ বাহিনীর ১৫০ সদস্যের একটি ইউনিট তুরস্কে পাঠান তিনি।

মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুড, ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইরান ইস্যুতে সৌদি জোটের বিপরীত মেরুতে একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে তুরস্ক ও কাতার।

sheikh mujib 2020