advertisement
আপনি দেখছেন

প্রেমের বয়স ৯ বছর, বিয়ের প্রস্তাব দিতেই বেঁকে বসলেন 'প্রেমিকা'! সোজা জানিয়ে দিলেন কম পড়াশোনা জানা প্রেমিককে বিয়ে করবেন না। এতো দীর্ঘ সময়ের সম্পর্ক কিছুতেই এভাবে ভেঙে যেতে রাজি নন প্রেমিক। এরপর প্রেমিকার বাড়ির সামনেই বসে পড়েছেন আমরণ অনশনে।

lover deny marriage‘আমার নয় বছর ফিরিয়ে দাও’ দাবি সম্বলিত কাগজ আর ছবি নিয়ে প্রেমিকার বাড়ির সামনে রকি রজক

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর শহরের কাটানধার এলাকায়। বিষ্ণুপুরের কুরবানতলার বাসিন্দা রকি রজক। আর তার দীর্ঘদিনের ‘প্রেমিকা’ ওই শহরেরই কাটানধারের তনুশ্রী ঘোষ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ করে তনুশ্রীর বাড়ির দরজার সামনে ‘আমার নয় বছর ফিরিয়ে দাও’ প্রিন্ট করে গলায় ঝুলিয়ে দুজনের বেশ কিছু ছবি নিয়ে মাদুর পেতে অনশনে বসেন সেই প্রেমিক।

স্কুলে পড়ার সময় থেকেই তনুশ্রীর সাথে তার সম্পর্ক বলে দাবি করেন রকি। তবে হঠাৎ তার বাবা মারা যাওয়ায় সংসারের হাল ধরতে মাঝপথেই পড়াশুনা ছাড়তে বাধ্য হন। শুরু করেন ব্যবসা। এখনো তাই করেই সংসার চালাচ্ছেন।

দীর্ঘ নয় বছরের সম্পর্কের পর বিয়ের প্রস্তাব দিলে অনেকটা তাচ্ছিল্যের সূরেই রকিকে না করে দেন ‘প্রেমিকা’ তনুশ্রী। বাড়ির কেউ অল্প শিক্ষিত ছেলেকে মেনে নিবে না, তাই তনুশ্রীও তাকে বিয়ে করতে চায় না বলে সাফ জানিয়ে দেন। গত ২ অক্টোবরের পর থেকে দুজনের মধ্যে আর কোনো কথা না হয়নি। তবে  যতোক্ষণ না পর্যন্ত প্রেমিকা তাকে বিয়ে করতে রাজি না হচ্ছেন ততোক্ষণ অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানান রকি।

রকির এক বন্ধু সুমন্ত দাস রজক দাবি করেন, গত ন’বছর ধরেই দুজন দুজনের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। এরপর তনুশ্রী তাকে বিয়ে করতে রাজি না হলে রকি অনশনে বসেন।

এদিকে রকিকে ‘মিথ্যাবাদী’ তকমা দিয়েছেন তনুশ্রীর মা মালতী ঘোষ। দাবি করেছেন, রকি তার মেয়েকে প্রায়ই বিরক্ত করতেন। এ বিষয়ে আগেও তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। একসঙ্গে দুজনের ছবির ব্যাপারে বলেন, সবাই জানে এখন এরকম ছবি খুব সহজেই বানানো যায়। তিনি আরো দাবি করেছেন, মেয়ের বদনাম করতেই রকি এমন মিথ্যা বলছেন।