advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 34 মিনিট আগে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এরদোগানসহ ২৮টি দেশের শীর্ষ নেতারা লন্ডনে একত্রিত হয়েছেন। প্রভাবশালী সামরিক জোট ন্যাটোর ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সম্মেলন উপলক্ষ্যে তাদের একত্রিত হওয়া। বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ শীর্ষ সম্মেলনে বেশ কিছু চলমান বিতর্ক প্রাধান্য পাচ্ছে বলে জানিয়েছে জার্মান ভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলে।

trump neto coferenceমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এরদোগান

গণমাধ্যমটির করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জোটটির কৌশলগত বিভিন্ন দিক নিয়ে চরম মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ এক সাক্ষাৎকারে ন্যাটোকে ‘ব্রেন ডেড' হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্ন সংকটের বর্ণনা দেন। এ প্রেক্ষাপটে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস জোটের মধ্যে রাজনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সম্প্রতি হওয়া সিরিয়ায় সামরিক অভিযানকে ঘিরেই মূলত জোটের মধ্যে মতপার্থক্য চরম আকার ধারণ করে। অক্টোবরে হঠাৎ করেই দেশটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সেনা প্রত্যাহার করে নেয়। তখন ন্যাটোর আরেক সদস্য তুরস্ক সেখানকার কুর্দি মিলিশিয়া বাহিনীর উপর হামলা চালায়।
পরবর্তীতে বিষয়টি জোটের অন্য সদস্য দেশগুলো ভালোভাবে নিতে পারেনি।

তুরস্কের এমন ভূমিকার পাশাপাশি এই মুহূর্তে আরো একটি বড় সংকট দেখা দিয়েছে। ন্যাটোর সদস্য দেশ হওয়া সত্ত্বেও নীতি ভঙ্গ করে রাশিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ক্ষমতায় আসার পর থেকে জার্মানিসহ ন্যাটোর অন্যান্য দেশগুলোকে বিভিন্নভাবে চাপ দিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। জোটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রভাব কমাতে চান তিনি।

এর ফলে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করা শীর্ষ ৯টি সদস্য দেশের পাশাপাশি আরো কয়েকটি দেশও ব্যয় করবে বলে জানিয়েছেন জোটটির মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ।

জানা যায়, সম্মেলন শেষে জোটের মহাসচিব স্টলটেনবার্গের সঙ্গে বৈঠক করবেন ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁর সঙ্গেও বৈঠক করার কথা আছে তার। পরে সিরিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মাক্রোঁ, জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এরদোগানের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় প্রায় ৫০টি সিদ্ধান্তের অনুমোদন জানাবেন এই শীর্ষ নেতারা।

এদিকে সম্মেলন উপলক্ষ্যে ট্রাম্পকে ঘিরে শুরু হয়েছে নানান জল্পনাকল্পনা। কারণ ঠিক একইসময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

sheikh mujib 2020