advertisement
আপনি দেখছেন

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইরানকে ‘শক্তি প্রদর্শনের’ এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রয়া দেখিয়েছে তেহরান।

rocket propulsion system jarifইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও জাওয়াদ জারিফ

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, ইসরায়েলের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডারের বিষয়ে নীরবতা অবলম্বন করে আসছে পশ্চিমা বিশ্ব। শুক্রবারের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরও তারা মুখে কুলুপ এঁটে আছে।

এক টুইটার বার্তায় ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার (ইসরায়েল) নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি একটি কথাও বলে না।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করলেও পশ্চিমা দেশগুলো কিছু বলে না। অথচ এরাই ইরানের আইন স্বীকৃত ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির নিয়ে প্রশ্ন তোলে!

এর আগে শুক্রবার ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের দক্ষিণাঞ্চলের পালমাচিম বিমান ঘাঁটি থেকে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়। ইসরায়েলি গণমাধ্যম বলছে, ইরানকে ‘শক্তি প্রদর্শন’ করতে এ পরীক্ষা চালানো হয়।

আই২৪ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এ ক্ষেপণাস্ত্র ২ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

ধারণা করা হয়, ইসরায়েলের কাছে ২০০ থেকে ৪০০ পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে ‘অপ্রচলিত অস্ত্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার। এ বিষয়ে আজো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েল।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলের পরমাণু ইস্যু যতবারই তোলা হয়েছে, ততবারই ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে দেশটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।