advertisement
আপনি দেখছেন

মিয়ানমার যখন রোহিঙ্গা গণহত্যা, নিপীড়নের অভিযোগে হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের সম্মুখীন ঠিক তখনই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিং অং লাইংসহ ৪ শীর্ষ সেনা কর্মকর্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

myanmer army generalমিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিং অং লাইং

আল-জাজিরা জানিয়েছে, আগে থেকে এ কর্মকর্তাদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিলো তার মাত্রা ও গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সব ধরনের সম্পদের ব্যবহার স্থগিত করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের সঙ্গে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত হতে পারবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা বাকি তিন সেনা কর্মকর্তারা হলেন- ডেপুটি কমান্ডার ইন চিফ সো উইন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থান এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অং অং।

২০১৭ সালে রাখাইনের ইন দিন গ্রামে বিচারবহির্ভূত হত্যাযজ্ঞের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে চলতি বছরের জুলাই মাসে এ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

তখন ওই নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছিলেন, আমেরিকাই প্রথম কোনো দেশ যারা মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সে সময় তিনি আরো বলেন, রাখাইন রাজ্যে নির্বিচারে হত্যা ও সহিংসতার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। দুই বছর আগের সেই সহিংসতার যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে তাদের কাছে।

ওই সময় জাতিসংঘের রিপোর্টে রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা, নিপীড়ন, ধর্ষণের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানান বিষয় উঠে আসে। তখন থেকেই দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মিন আং লাইংসহ আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তাদের বিচার করার দাবি তোলা হয়।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার ছুঁড়ে দেয়া মামলার শুনানিতে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করছেন সু চি।

sheikh mujib 2020