advertisement
আপনি দেখছেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইমপিচ করার সুপারিশ করেছে দেশটির কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের প্রতিনিধি পরিষদ। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং তদন্তে বাধা দেয়ার অভিযোগ তুলেছে দেশটির বিচার বিভাগীয় কমিটি।

trump angry faceইমপিচমেন্টের শিকার হচ্ছেন ট্রাম্প!

বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটদের প্রতিনিধি পরিষদে আগামী সপ্তাহেই বিষয়টি নিয়ে ভোট হবার কথা রয়েছে। তবে এটা অনেকটাই নিশ্চিত যে, ইমপিচমেন্টের শিকার হচ্ছেন ট্রাম্প। আর তা হলে মার্কিন ইতিহাসে অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটনের পর তৃতীয় প্রেসেডেন্ট হিসেবে ইমপিচমেন্টের স্বীকার হবেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পকে ইমপিচ করার জন্য নতুন দুটি ধারার অনুমোদন দেয় প্রতিনিধি পরিষদের কমিটি যার আওতায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ক্ষমতা অপব্যবহার এবং তদন্তে বাধা দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হবে।

এদিকে সব ধারা পাস হওয়া নিয়ে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেন, এসব অহেতুক নাটক এবং কৌতুক।

সম্প্রতি এক টুইটে তার বিরুদ্ধে আনা ইমপিচমেন্টের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, তিনি কোন দোষ করেননি। তারপরও তাকে শুধু শুধু ইমপিচ করা হচ্ছে। এ খুবই অন্যায়।

প্রসঙ্গত, ডেমোক্র্যাট নেতা জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করতে ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেন্সকিকে চাপ প্রয়োগ করেন। সম্প্রতি জেলেনস্কি ও ট্রাম্পের সেই ফোনালাপ ফাঁস হলে তার বিরুদ্ধে অভিশংসন বা ইমপিচমেন্টের তদন্ত শুরু করে বিরোধী ডেমোক্র্যাট দল।

এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাদের দলের মনোনয়ন প্রার্থী জো বাইডেন। তাই তাকে কালিমালিপ্ত করতেই ট্রাম্প ইউক্রেনের সাহয্য চেয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ট্রাম্প দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে দেশটিকে সামরিক সহায়তা দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আগামী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে এই ইমপিচমেন্ট।