advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 14 মিনিট আগে

নাগরিকত্ব তথা মুসলিমবিরোধী আইনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া প্রতিবাদ বিক্ষোভ দ্রুত গোটা ভারতে ছড়িয়ে পড়ছে। সোমবার দেশটির অনেকগুলো শহরে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে এবং সংশোধিত নাগরিক আইনের প্রতিবাদে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে। যদিও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

nrc protest india

রাজধানী দিল্লী, মুম্বাই, হায়দ্রাবাদ, কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন শহরে ব্যাপক প্রতিবাদের খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি নিউজের অনলাইন সংস্করণ।

প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার এবং উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে তা ছড়িয়ে পড়ার আগে ছয় জন নিহত হয়েছে। বিক্ষোভ দমাতে কর্তৃপক্ষ ধর-পাকড় ও কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু তার পরও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা দেশজুড়ে সোমবার বিক্ষোভ করছে।

কলকাতায় লাখ লাখ মানুষের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেস।

শিক্ষার্থীদের সমাবেশ শেষে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের পর সোমবার সকালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববারের সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৫ জনকে আটকের পর সোমবার তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমা আক্তার পুলিশি পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

লাখনৌ থেকে আসা লাইভ ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ছে। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসেই অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। টিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করছে।

বিবিসি বলছে, পরিস্থিতি এখন উত্তেজনাময় এবং আরও বিক্ষোভের আশংকা করা হচ্ছে। মর্যাদাপূর্ণ ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। সংহতি প্রকাশ করে পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা এসেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও।

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ভারতজুড়ে বহু শহরে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসেন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে, যার জের ধরে ক্যাম্পাস ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বড় বিক্ষোভ হয়েছে হায়দ্রাবাদেও, যেখানে দিল্লিতে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন মৌলানা আজাদ উর্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মোমবাতি হাতে মিছিল করেছেন মুম্বাইয়ের টাটা ইন্সটিউট অব সোশাল সায়েন্সেস-এর শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া বারাণসী ও কলকাতার মতো আরও অনেক শহরে সংহতি প্রকাশ করে মিছিল হয়েছে।

sheikh mujib 2020