advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 23 মিনিট আগে

আমেরিকায় শেষ মুহূর্তে একটি বৈঠক বাতিল করেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। মার্কিন সংবাদ সংস্থার দাবি, কাশ্মির প্রসঙ্গ এড়াতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন ভারতীয় মন্ত্রী।

us india kashmir

এর ফলে কাশ্মির সমস্যা এবার সরাসরি পৌঁছে গেল মার্কিন কংগ্রেসের অন্দরে। প্রশ্ন উঠেছে, বিশ্ব দরবারে ভারত কি কাশ্মির প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে চাইছে?

প্রসঙ্গত, ১৩৪ দিন হয়ে গেল কাশ্মির ইন্টারনেটহীন। এত দিন ধরে কোনও অঞ্চলকে ইন্টারনেটহীন করে রাখার ক্ষেত্রে এটা রেকর্ড।

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের প্রায় সবকটি রাজ্যে যখন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিক্ষোভ চলছে, ঠিক তখনই আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর। গত এক সপ্তাহে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং জয়শঙ্কর বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দুই পক্ষই মন্তব্য করেছিল।

বস্তুত, কাশ্মির থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের পরও আমেরিকা পাশেই থেকেছে ভারতের। এবং দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত রাখার ক্ষেত্রে জয়শঙ্করের গুরুত্ব স্বীকার করেছে মার্কিন কূটনৈতিক মহল। কিন্তু সেই সম্পর্কে চিড় ধরলো বলেই মনে করছেন অনেকে। কারণ পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক শেষ মুহূর্তে বাতিল করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা ছিল জয়শঙ্করের। যেখানে অন্যতম প্রতিনিধি ছিলেন প্রমীলা জয়পাল। কিছু দিন আগে প্রমীলা মার্কিন কংগ্রেসে কাশ্মির প্রসঙ্গে প্রস্তাব এনেছিলেন। আমেরিকার সংবাদমাধ্যমের দাবি, শেষ মুহূর্তে জয়শঙ্কর জানান, বৈঠক থেকে প্রমীলাকে বাদ দিতে হবে। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল তাতে সম্মত না হওয়ায় বৈঠক ভেস্তে যায়। যদিও এ বিষয়ে জয়শঙ্কর কিংবা আমেরিকার ভারতীয় দূতাবাস কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

তবে প্রমীলা জানিয়েছেন, কাশ্মিরে যেভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়েছে তা অনুচিত। এ বিষয়ে ভারত সরকারের ভাবা উচিত। শুধু তাই নয়, তার বক্তব্য, যেভাবে ভারত কাশ্মির প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাচ্ছে, তা সঙ্গত নয়। এই পরিস্থিতিতে আলোচনায় বসাই কাম্য।

মার্কিন কূটনীতিকদের একটি বড় অংশের বক্তব্য, জয়শঙ্কর ভাল কূটনীতিক। ভাল কথা বলেন। মার্কিন কূটনৈতিক মহল তাকে পছন্দ করে। এই পরিস্থিতিতে জয়শঙ্করের এই পদক্ষেপ বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলতে পারে।

প্রমীলাও জানিয়ে দিয়েছেন, কাশ্মির প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি ফের কংগ্রেসে সরব হবেন।

sheikh mujib 2020