advertisement
আপনি দেখছেন

জার্মানির একটি সিসা বারে হামলাকারী উগ্র চরমপন্থী শ্বেতাঙ্গ টোবিয়াসের হত্যা করার লিস্টে বাংলাদেশি অভিবাসীরাও ছিলেন। হামলার আগে ওয়েবসাইটে ২৪ পৃষ্ঠার একটি মেনিফেস্টো প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে বাংলাদেশসহ ২৩টি দেশের অভিবাসীদের হত্যার হুমকি দেন এই ঘাতক।

garman terorist tubias

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মেনিফেস্টোতে বাংলাদেশ, মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, মিশর, ইসরায়েল, সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরাক, ইরান, কাজাখস্তান, তুর্কমিনিস্তান, উজবেকিস্তান, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া ও ফিলিপাইনের অভিবাসীদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার কথা উল্লেখ ছিল।

পরবর্তীতে অবশ্য ওয়েবসাইট থেকে মেনিফেস্টোটি মুছে ফেলেন এই জার্মান বন্দুকধারী।

বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় হানাউ শহরের একটি সিসা বারে হামলা চালায় উগ্র চরমপন্থী শ্বেতাঙ্গ টোবিয়াস। হামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচ তুর্কি নাগরিকসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হামলার পর টোবিয়াস আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যার আগে নিজের মাকেও হত্যা করেছে সে। অভিবাসীদের হত্যার উদ্দেশ্যেই সে এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এর আগে কোনো ধরনের অপরাধের রেকর্ড ছিল না তার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হামলাকারীর তৎপরতা দেখে তাকে উগ্র জাতীয়তাবাদী হিসেবে শনাক্ত করেছে পুলিশ। হামলার জন্য টোবিয়াস যে অস্ত্রটি ব্যবহার করেছে সেটির লাইসেন্স ছিল।

এ বিষয়ে জার্মান চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মার্কেল বলেন, এ হামলা হয়েছে জাতিবিদ্বেষের কারণে এবং তা স্পষ্ট। জাতিবিদ্বেষ ও ঘৃণা একটি বিষে পরিণত হয়েছে জার্মানিতে। এর কারণে বহু অপরাধ সংঘঠিত হচ্ছে।

sheikh mujib 2020