advertisement
আপনি দেখছেন

গত ডিসেম্বরে প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই করোনাভাইরাস কেড়ে নিয়েছে একের পর এক প্রাণ। আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩ হাজার ৩০০। এত মৃত্যুর কারণ হচ্ছে ভাইরাসটির কোনো প্রতিষেধক এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করা হয়নি। তবে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন দাবি করছে, আগামী এপ্রিলেই সবার কাছে পৌঁছে যাবে করোনাভারাসের প্রতিষেধক। আজ শুক্রবার এ তথ্য জানায় তারা।

china brings corona antidepressant in april

চীনা জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ডেভলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক ঝেং ঝংওয়েই বলেন, প্রতিষেধকের পাঁচটি ধরন নিয়ে আমাদের গবেষণা চলছে। প্রতিষেধকগুলোর মান ধীরে ধীরে উন্নতি লাভ করছে। আশা করছি, আগামী এপ্রিলে প্রতিষেধক বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে পৌঁছে যাবে।

তিনি আরো বলেন, হাসপাতাল দেয়ার আগে আমরা কিছু প্রতিষেধক পরীক্ষামূলকভাবে আক্রান্তদের শরীরে প্রয়োগ করে ফলাফল যাচাই করবো। যদি ফলাফল ভালো হয় তাহলে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে গত সপ্তাহে ইসরায়েলি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দাবি করে, তারা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে সফলতা পেয়েছে। ভ্যাকসিন তৈরির কাজটি করেছে দ্য গ্যালিলি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এমআইজিএল) একদল গবেষক। তাদের অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানিয়েছিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। তারা ঘোষণা করে, যত দ্রুত সম্ভব এ ভ্যাকসিন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত ফেব্রুয়ারিতে বলেছে, ১৮ মাসের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হতে পারে। এ মন্তব্য করেছিলেন সংস্থাটির প্রধান টেড্রস আধানম গেব্রেইয়েসাস।

এরপর গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক দাবি করে, ১৮ মাস নয়, করোনার প্রতিষেধক তৈরি করে ফেলেছে তারা। দেশটির ক্যামব্রিজভিত্তিক বায়োটেক কোম্পানি মডের্না থেরাপেটিকসের একদল গবেষক ওই দাবিটি করে।

তারা জানায়, আবিষ্কৃত প্রতিষেধকটি তারা আক্রান্ত রোগীর দেহে প্রয়োগ করে সফলও হয়েছেন। ওই রোগী আগের চেয়ে অনেক সুস্থ এখন।
এখন পর্যন্ত অনেকে প্রতিষেধক আবিষ্কারের দাবি করলেও কোনো নিশ্চিত ফলাফল তারা দেখাতে পারেননি। বিশ্বের নানা প্রান্তে গবেষকরা এ ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য কোনো ফলাফল তারা দিতে পারছেন না।

প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ৯৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ৩ হাজার ৩০০ জন। ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের অন্তত ৮০টি দেশে।

sheikh mujib 2020