advertisement
আপনি দেখছেন

গেল বছরের একেবারে শেষ সময়ে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে প্রথম ধরা পড়ে করোনাভাইরাস। এর পরই দেশটিতে তাণ্ডব চালিয়ে এ পর্যন্ত বিশ্বের প্রায় ১১৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস।

trump jonson us britain

ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এর শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে ইরানের একাধিক সংসদ সদস্য, দুই রাষ্ট্রদূত (একজন সাবেক) দেশটির সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টার মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়া আক্রান্ত হয়েছেন দেশটির একাধিক মন্ত্রী এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

ইরানের বাইরে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের একজন করে মন্ত্রী এবং ইতালির সেনাপ্রধান আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া করোনার ঝুঁকিতে থাকায় বিশ্বের একাধিক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

মনে করা হচ্ছে, করোনা ঝুঁকিতে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

বিশেষ করে, বিট্রেনের ওই জুনিয়র স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনাভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হবার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ ব্যক্তিদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

বিবিসি বলছে, গত বৃহস্পতিবার নাদিন ডরিস নামের ওই ব্রিটিশ মন্ত্রীর করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ ধরা পড়ে। এর পরই দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীরা চিন্তায় পড়ে যান, কারণ সম্প্রতি ডরিস ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দেয়া এক সংবর্ধনায় যোগ দিয়েছিলেন।

দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জরুরিভিত্তিতে জানার চেষ্টা করছেন যে, ডরিসের সাথে সম্প্রতি কার কার যোগাযোগ হয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে এক অনুষ্ঠানে করোনাভাইরাস সংক্রমিত এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার পর পাঁচজন রিপাব্লিকান কংগ্রেস সদস্য নিজেদেরকে কোয়ারেন্টাইন করেছেন।

এর আগেই খবর বেরিয়েছে যে, ফেব্রুয়ারির ওই অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও উপস্থিত ছিলেন।

বিবিসি বলছে, মেরিল্যান্ডের ওই রাজনৈতিক সম্মেলনে একজন করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তি ছিলেন- যার সাথে ওই পাঁচ রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান এবং ট্রাম্পের নতুন চিফ অব স্টাফের সাক্ষাৎ হয়। এরা সবাই এখন নিজে থেকেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

খবরে বলা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও ওই অনুষ্ঠানে থাকলেও সংক্রমিত ওই ব্যক্তির সাথে তার কথাবার্তা হয়নি। কিন্তু সম্মেলনের চেয়ারম্যানের সাথে ওই ব্যক্তির যোগাযোগ হয়েছিল এবং পরে চেয়ারম্যানের সাথে করমর্দন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তবে হোয়াইট হাউজের এক মুখপাত্র বলছেন, প্রেসিডেন্টের সাথে আক্রান্ত ব্যক্তির দীর্ঘস্থায়ী যোগাযোগ হয়নি এবং তার দেহে সংক্রমণের কোনো লক্ষণও নেই। চিকিৎসকরা তার ওপর নজর রাখছেন বলেও জানান ওই মুখপাত্র।