advertisement
আপনি দেখছেন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করেছেন কানাডাভিত্তিক মেডিকাগো নামের একটি ওষুধ কোম্পানির বিজ্ঞানীরা। আজ শুক্রবার কোম্পানির সিইও ব্রুস ক্লার্কের বরাতে এ তথ্য জানায় মার্কিন গণমাধ্যম ডিফেন্স ওয়ান।

corona vaccine cannada

ব্রুস ক্লার্ক বলেন, তাদের কোম্পানিটি মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের অর্থায়নে পরিচালিত। কিন্তু এখানে যারা কাজ করেন তারা সবাই কানাডিয়ান।

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা অবশেষে প্রতিষেধক পেয়ে গেছি। আমাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) অনুমোদন পেলে প্রতি মাসে এক কোটি ডোজ প্রস্তুত করে বাজারজাত করা হবে।

ডিফেন্স ওয়ান বলছে, করোনাভাইরাসের জিনম সিকুয়েন্স পাওয়ার মাত্র ২০ দিন পরই মেডিকাগোর বিজ্ঞানীরা এর ভ্যাকসিন তৈরিতে সফলতা দেখিয়েছেন। এ কাজে তারা কিছু স্বতন্ত্র প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েছেন। শিগগিরই তারা ভ্যাকসিনটি এফডিএ-তে জমা দিবেন এবং অনুমোদন পেলে বাজারজাত করবেন।

এর আগে গত সপ্তাহে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন দাবি করে, আগামী এপ্রিলেই সবার কাছে পৌঁছে যাবে করোনাভারাসের প্রতিষেধক।

corona vaccine cannada02

তারও আগে ইসরায়েলি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দাবি করে, তারা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে সফলতা পেয়েছে। ভ্যাকসিন তৈরির কাজটি করেছে দ্য গ্যালিলি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এমআইজিএল) একদল গবেষক। তাদের অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানিয়েছিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। তারা ঘোষণা করে, যত দ্রুত সম্ভব এ ভ্যাকসিন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ফেব্রুয়ারিতে বলেছে, ১৮ মাসের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হতে পারে। এ মন্তব্য করেছিলেন সংস্থাটির প্রধান টেড্রস আধানম গেব্রেইয়েসাস।

এদিকে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে চীনসহ সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯৭৩ জনে। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৭৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬৯ হাজার ১৪২ জন। এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬০ হাজার ৫৬৪ জনের বেশি মানুষ।

sheikh mujib 2020