advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের উহান শহর ও হুবেই প্রদেশে কমে এসেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর হারও উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। ভাইরাসটির ভ্যাকসিন এখনো আবিষ্কার হয়নি। তাহলে কী করে চীন দেশটিতে ভাইরাসের সংক্রমণ এভাবে কমিয়ে আনলো? এর উত্তর খুঁজে বের করেছেন লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের একদম গবেষক। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

wuhan coronavirus effectedউহান রেলওয়ে স্টেশন

গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন কলেজের প্রফেসর নিল ফার্গুসন ও তার দল। এতে কাজ করা প্রফেসর ক্রিস্টি ডনলি বলেন, পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়ে একটি বৃহৎ আকারে লকডাউন ঘোষণা করা হলে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব।

প্রফেসর নিল ফার্গুসন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণের সংখ্যা সীমিত আকারে থাকার সময়েই নির্দিষ্ট কিছু এলাকা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আশা করা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমে যাবে। কিন্তু লকডাইন সম্পূর্ণ কার্যকর করতে হলে আক্রান্তদের অবশ্যই আগে চিহ্নিত করতে হবে। সেইসঙ্গে যারা আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসেছে তাদেরকে আইসোলেশনে রাখতে হবে। ঠিক যেমনটি চীন করেছে।

wuhan lockdownলকডাউনের সময় উহান শহর

তিনি আরো বলেন, আমরা চীনা সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ পর্যালোচনা করে দেখেছি। সংক্রমণ ঠেকাতে তারা লকডাউন ঘোষণার পাশাপাশি আক্রান্ত রোগী ও তার সংস্পর্শে আসা অন্যদের চিহ্নিত করেছে। তাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও আইসোলেশনের ব্যবস্থা করেছে। এর ফলাফল আপনারা দেখেছেন। দেশটিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। হুবেই প্রদেশ ও উহান শহর থেকে উঠে যাচ্ছে লকডাউন।

নিল ফার্গুসন বলেন, বৃহৎ আকারে লকডাউন হলেও চীনে স্থানীয় ছোট ছোট খামার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়নি। যার কারণে ওই এলাকার অর্থনীতি একেবারে স্থবির হয়ে যায়নি।