advertisement
আপনি দেখছেন

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২২৭ জন। দেশটিতে ক্রমশ বাড়ছে ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি সপ্তাহে অবস্থা ভয়াবহ হতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন সেখানকার চিকিৎসকরা। পর্যাপ্ত পিপিআই না থাকায় তারা রেইনকোট এবং মোটরবাইকের হেলমেট পরেই এ মহামারিতে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। খবর রয়টার্স।

indian doctorছেঁড়া রেইনকোট পড়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন ভারতের এক ডাক্তার

ভারতে এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মারা গেছে ৩২ জন। আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ২৩১ জন। আক্রান্ত আবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন হাজার খানেক মানুষ। চলতি সপ্তাহে ভাইরাসটি সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে ধারণা অনেক মেডিকেল বিশেষজ্ঞের। কিন্তু সেই ভয়াবহ পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ার আগেই দেশটির দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরলো রয়টার্স। অথচ তারাই কিনা এ পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করবেন।

গতকাল সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, পিপিআইয়ের ঘাটতি পূরণ করতে সরকার চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে তা সংগ্রহের চেষ্টা করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতে চলতি সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম দশ দিন হবে সবচেয়ে ভয়াবহ। মে মাসের মাঝামাঝি গিয়ে দেশটিতে এক লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। যার ফলে প্রচণ্ড চাপ পড়বে দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের ওপর। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে- চিকিৎসকদের কাছেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। তাদের রেইনকোট, হেলেমেট পরেই দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

china coronavirus death recordপিপিআই পড়ে হাসপাতাল থেকে বের হচ্ছেন দুই চীনা ডাক্তার

রাজধানী নয়াদিল্লির ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসক সন্দ্বীপ গর্গ বলেন, আমার কাছে এন৯৫ মডেলের মাস্ক নেই, তাই মোটরবাইকের হেলমেট পড়েই ডিউটি দিচ্ছি। এর সামনে একটি আবরণ আছে- যা আমাকে ঢেকে রাখে। এর পাশাপাশি আমি সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করছি।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দিল্লির ফেডারেল সরকারের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা শুধু প্রার্থনা করে বেঁচে আছি। কারণ আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা এতটা শক্তিশালী না যে, মানুষ ভালো কিছু পাবে।

sheikh mujib 2020