advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জাপানে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে মঙ্গলবার জরুরি অবস্থা জারি করেন। এই অবস্থা সবচেয়ে মানুষ বাস করা শহরগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানা গেছে।

shinzo abe announced japan a state of emergency

একই সাথে তিনি একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। জাপানি প্রধানমন্ত্রী এই প্যাকেজকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্যাকেজ বলে অভিহিত করেছেন। এই প্যাকেজের মাধ্যেম করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া অর্থনীতি কিছুটা হলেও শক্তি পাবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

জানা গেছে, রাজধানী টোকিওসহ মোট ছয়টি বড় শহর জরুরি অবস্থার আওতাধীন থাকবে, যেখানে জাপানের মোট জনসংখ্যার প্রায ৪৪ শতাংশ বাস করেন। এই জরুরি অবস্থা এক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “করোনা ভাইরাস যদি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তাহলে জাপানের জীবন ও অর্থনীতির উপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। এটি বিবেচনায় নিয়ে আমরা জরুরি অবস্থা জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

আবে জানিয়েছেন, তার মন্ত্রীসভা প্রায় এক হাজার বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকজটি শিগগিরই চূড়ান্ত করবে। যা ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে শক্ত রাখার জন্য ব্যবহৃত হবে। এই প্যাকেজটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তর অর্তনৈতিক শক্তি জাপানের অর্থনীতির মোট আউটপুটের ২০ শতাংশ বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন অর্থনীতি বিষয়ক সংস্থা।

এখন পর্যন্ত জাপানে চার হাজারের বেশি পজিটিভ করোনা ভাইরাস কেস রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া মারা গেছেন ৯৩ জন। গত সপ্তাহে এর আগের সপ্তাহের তুলনায় বেশি রোগী সনাক্ত হয়েছেন।

জরুরি অবস্থা ঘোষণা করায় এখন জাপান সরকার লোকজনকে বাড়িতে থাকার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার জন্য চাপ দিতে পারবে। তবে কেউ যদি এই নির্দেশনা উপেক্ষা করেন, তাহলে জরিমানার কোনো বিধান রাখা হয়নি। কিন্তু সে ক্ষেত্রে নির্দেশনা পালনের জন্য বাড়তি চাপ প্রয়োগ করা হবে।