advertisement
আপনি দেখছেন

ঘন ঘন রূপ বদলাচ্ছে নভেল করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত অন্তত ১০ বার এমন ঘটনা ঘটেছে। সাধারণত মিউটেশন বা রূপ বদলের মাধ্যমে দূর্বল হয়ে পড়ে যে কোনো ভাইরাস। তবে দুই-একটি ব্যতিক্রমের মধ্যে করোনা অন্যতম। রূপ বদলের মাধ্যমে এই ভাইরাস আরো শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসছে। এসব তথ্য জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিকেল জেনোমিকসের দুই বিজ্ঞানী পার্থপ্রতিম মজুমদার ও নিধান কুমার বিশ্বাস।

different characterপ্রতীকী ছবি

মিউটেশনের মাধ্যমে পাল্টে যাওয়া করোনাভাইরাসের সবশেষ ধরনের নাম ‘এ২এ’। মানুষের ফুসফুসের কোষে হানা দিতে এটি আরো বেশি পারদর্শী, মানুষ থেকে মানুষে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে আরো বেশি দক্ষ। এই শক্তিশালী রূপটিই ছড়িয়ে পড়েছে ইউরোপের পর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের শরীরে।

পার্থপ্রতিম ও নিধান কুমারের এই গবেষণা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ভারতের কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) জার্নালে। গবেষণাটির জন্য গত ডিসেম্বর শেষ দিকে থেকে থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৫৫টি দেশের ৩ হাজার ৬৩৬ কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ আক্রান্তের শরীরেই পাওয়া গেছে ‘এ২এ’।

coronaপ্রতীকী ছবি

চীনে সংক্রমণ ঘটিয়েছে যে ধরন তার নাম ‘ও’। ইরানে এসে ধরন বদলে হয়ে গেল ‘এ৩’। নানা সময় রূপান্তর ঘটা আরো কিছু ধরন হল- এ২, বি, বি১। এভাবে আদি ধরন বাদ দিলে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ বার রূপ বদল করেছে করোনাভাইরাস।

গবেষক ও অধ্যাপক পার্থপ্রতিম মজুমদার বলেন, বেঁচে থাকতে হলে ভাইরাসকে কোনো না কোনো মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে হবেই। বাইরে সে বেশিক্ষণ অবস্থান করতে পারে না। এভাবে শরীরের ভেতরও টিকে থাকার স্বার্থে সে তার রূপ বদল করে থাকে। করোনাভাইরাস রূপ বদলের পাশাপাশি আরো বেশি দক্ষ ও দৃঢ় হয়ে উঠছে।

sheikh mujib 2020