advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসে সংক্রান্ত রোগীদের ওপর কার্যকর ফলাফল দেখিয়েছে রেমিডিসিভির ওষুধ। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এফডিএ) এর অনুমোদন দেয়ার পর দেশটির ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গিলিয়াড সায়েন্সেস তা উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ওষুধটি এখন বাজারজাত করা হবে। আর এ কারণে ওষুধটির মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনুদানের পরও এর মূল্য ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৪০ ডলার (প্রায় ২০ হাজার টাকা)।

remedisivir medicineরেমিডিসিভির ওষুধ

কোম্পানিটি বলছে, এই ওষুধ স্বল্প সময়ের মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগীকে সারিয়ে তুলতে সক্ষম। যেসব স্থানে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনুদান আছে সেখানে এর মূল্য পড়বে ২ হাজার ৩৪০ ডলার। যেখানে মার্কিন সরকারের কোনো অনুমদন নেই, সেখানে এর মূল্য হবে ৩ হাজার ১২০ ডলার (২৬ হাজার টাকার বেশি)।

কোম্পানির প্রধান কর্মকর্তা ড্যান ও’ডে বলেন, আমাদের কাছে নতুন এই ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। এটি একটি মহৎ ওষুধ, এই মহামারির সময়ে এটি খুব কাজে দেবে।

gilead sciencesগিলিয়াড সায়েন্সেসের কার্যালয়

রেমিডিসিভিরের মূল্য প্রকাশের পর নানামুখী সমালচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে গিলিয়াড সায়েন্সেসকে। গ্রাহকদের একটি দল এই দাম শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, করদাতাদের থেকে অর্থ নিয়েও কেন এতো দামে ওষুধ বিক্রি করা হবে। বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তাদের দাবি, এটি বড়লোকের ওষুধ।

ড্যান ও’ডে বলেন, রেমিডিসিভিরের উৎপাদন শুরু করার পর আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য কিছু রাষ্ট্রে এটি সরবরাহ করেছিলাম। যা শেষ হওয়ার পথে। এরপর তদের সেখানে যদি ওষুধ সরবরাহ করা হয় তাহলে নতুন করে নির্ধারিত মূল্যেই করা হবে।

মার্কিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে গিলিয়াড সায়েন্সেস সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ সময়ের মধ্যে তারা মার্কিন সরকারকে রেমিডিসিভিরের ৫ লাখ ডোজ সরবরাহ করবে, যা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের হাসপাতালে ব্যবহৃত হবে।

sheikh mujib 2020