advertisement
আপনি দেখছেন

হার্ড ইমিউনিটি তথা কোনো একটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠার যে কথা বলা হচ্ছে, তাকে একটা কাল্পনিক ধারণা বলে মনে করছেন দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

hard immunity south koreaহার্ড ইমিউনিটিকে কাল্পনিক ধারণা বলছেন দক্ষিণ কোরীয় গবেষকরা

দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই তারা এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোরিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের (কেসিডিসি) উপ-পরিচালক কুওন জুন উক।

বিবিসি বলছে, দক্ষিণ কোরীয় সরকার সেদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের প্রকৃত হার বের করার চেষ্টা করছেন। আর এ লক্ষ্যে দেশটির কর্তৃপক্ষ জনগণের মধ্যে দৈবচয়নের ভিত্তিতে অ্যান্টিবডি টেস্ট করা শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে দেশটির ৬ হাজার লোকের রক্ত পরীক্ষা করা হবে।

তবে কেসিডিসির কর্মকর্তারা এও বলছেন যে, গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল থেকে তারা এমন সিদ্ধান্তের কথা বলছেন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে হলে বিস্তৃত পরিসরে গবেষণা দরকার।

kcdc south koreaকোরিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল

কোরীয় ওই গবেষণার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত দেড় হাজার লোকের রক্ত পরীক্ষা করে দেখেছেন কর্মকর্তারা। দেখা গেছে, এর মধ্যে মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশ লোকের দেহে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

বিবিসি বলছে, এ থেকে মনে হতে পারে যে, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৫০ হাজার লোক কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো- দেশটিতে পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্র ১২ হাজার ৮০০ জনকে কোভিড-১৯ পজিটিভ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

sheikh mujib 2020