advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন এখনো আবিষ্কার হয়নি। চলছে গবেষণা। এর মধ্যে দুটি গবেষণা একেবারে শেষ ধাপে অবস্থান করছে। একটি যুক্তরাজ্যের আরেকটি চীনের। এবার সেই ধাপে চীনের আরো এক গবেষণা প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

vaccine symbolic picture 08প্রতীকী ছবি

আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, চীনা সিনোভ্যাক বায়োটেক কোম্পানির প্রস্তুতকৃত নমুনা ভ্যাকসিন ব্রাজিলে প্রায় ৯ হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে।

একটি গবেষণা সাধারণত বেশ কয়েকটি ধাপে শেষ করতে হয়। সর্বপ্রথম হয় ল্যাব টেস্টে। সেখানে সফলতা পেলে হয় বিভিন্ন প্রাণীর ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। প্রাণীদের ওপর নমুনা ভ্যাকসিন নিরাপদ প্রমাণিত হলে তা মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা শুরু হয়।

এই প্রক্রিয়া তিনটি ধাপে শেষ হয়। প্রথমে স্বল্প সংখ্যক মানুষের ওপর ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে নিরাপদ কিনা যাচাই করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে বেশি সংখ্যক মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হয়। সেখানে সফলতা পেলে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ওপর এর প্রয়োগ করা হয়। এই তৃতীয় ধাপে সফলতা পেলেই কেবল একটি ভ্যাকসিন অনুমোদন পায়।

pandemic symbolic picture03করোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি

বর্তমানে এই শেষ ধাপে আছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও চীনা জাতীয় ফার্মাসেউটিক্যাল গ্রুপের (সিনোফার্ম) গবেষণাটি। সে তালিকায় এবার যোগ হতে যাচ্ছে সিনোভ্যাক বায়োটেক কোম্পানির গবেষণা।

জানা যায়, ব্রাজিলের ভ্যাকসিন কোম্পানি ইনস্টিটিউটো বুতানতানের সঙ্গে অংশিদারীত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে সিনোভ্যাক বায়োটেক কোম্পানি। যার কারণে তারা শেষ ধাপের গবেষণায় ব্রাজিলের নাগরিকদের সহায়তা পাবে। অংশীদারিত্বের চুক্তি মোতাবেক তারা ৯ হাজার মানুষের ওপর এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ১৯টি ভ্যাকসিন গবেষণা চলছে, যা মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে। তবে সে প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে অল্প কয়েকটি গবেষণাই পৌঁছাতে পেরেছে। এছাড়া শতাধিক গবেষণা আছে যা এখনো ল্যাব টেস্ট ও প্রাণীদেহে প্রয়োগের পর্যায়ে আছে।

sheikh mujib 2020