advertisement
আপনি দেখছেন

গত ১৫ জুনের কথা, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চীন ও ভারতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয় বলে দাবি করা হয়। সেই ক্ষত না শুকাতেই এবার উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ সীমান্তে চীনা সেনারা ঘাঁটি গেড়েছে। এখানেও চীনা বাহিনীর মতিগতি ভালো ঠেকছে না বলে মনে করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আর সে কারণে উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার সীমান্ত এলাকায় সেনা ও ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের নজরদারি বাড়িয়েছে নয়াদিল্লি।

lipulekh border india china nepalচীনা বাহিনীর তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করছে ভারতীয় সেনারা, ছবি-হিন্দুস্তান টাইমস

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, লিপুলেখ কূটনৈতিকভাবে নয়াদিল্লির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি নেপালের পার্লামেন্টে মানচিত্র সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। ওই মানচিত্রে উত্তরাখণ্ডের কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরার সঙ্গে লিপুলেখ গিরিপথও নিজেদের বলে দাবি করেছে নেপাল। এক্ষেত্রে ভারতের আপত্তি ও হুঁশিয়ারিকে পাত্তা দেয়নি নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সরকার। ভারতীয় কূটনীতিকদের ধারণা, চীনের উস্কানিতেই এই সাহস পেয়েছে নেপাল।

ভারতীয় সেনা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ প্রতিদিন বলছে, লিপুলেখ গিরিপথের কিছুটা দূরে প্রায় এক হাজার চীনা সেনা তাঁবু তৈরি করে অবস্থান নিয়েছে। সেইসঙ্গে মোতায়েন করা হয়েছে অস্ত্রশস্ত্র ও রসদ। যা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, চীনা বাহিনী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ওই এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেপালের সমর্থন ব্যতীত লালফৌজ তথা চীনা সেনা লিপুলেখে অবস্থান করতে পারবে না। তবে লাদাখ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই উত্তরাখণ্ড সীমান্তেও বেইজিংয়ের এই তৎপরতায় সতর্ক দৃষ্টি রাখছে নয়াদিল্লি।

lipulekh border india china nepal innerলিপুলেখ সীমান্ত এলাকা

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি উত্তর সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখাতেও চীনা সেনাদের তৎপরতা বেড়েছে। এ ছাড়া ডোকলাম সীমান্তে তো আগে থেকেই দুই দেশের উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে চীনা সেনারা ঠিক কী কারণে ওই এলাকায় ঘাঁটি স্থাপন করেছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

sheikh mujib 2020