advertisement
আপনি দেখছেন

নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যা এবং নারী অধিকারকর্মীদের আটক রাখার ঘটনায় সৌদি আরবের প্রতি ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে বিশ্বের ২৯টি দেশ। বিষয়টি জানিয়ে দেশগুলো জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

mohammed bin salman 1সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান

জার্মানির ডয়েচে ভেলে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশ করলেও তাতে দেশগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে দেশগুলোর অধিকাংশই ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ভুক্ত ও পশ্চিমা দেশ বলে জানানো হয়েছে।

দেশগুলোর যৌথ বিবৃতিতে মোটাদাগে বলা হয়েছে, ‘সৌদি আরবে ইচ্ছামতো অনেককে আটক করা, আটকে রেখে নির্যাতন করা, তাদের চিকিৎসাসেবা না দেয়া, আটকদের নিখোঁজ হওয়া এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না দেয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ, নিন্দা জানাই।’

২৯ দেশের বিবৃতিতে আরো দাবি করা হয়েছে, সাংবাদিক খাসোগি হত্যার বিষয়ে সৌদি আরবকে আরো স্বচ্ছ হতে হবে এবং আসল তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত সদর দপ্তরে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ইইউ'র পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত জার্মান দূত উর্গেন স্টেনবার্গ। এতে সৌদি আরবে আটক নারী অধিকারকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়া এবং খাসোগি হত্যা মামলায় আরো স্বচ্ছতা আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

jamal khashoggi saudiসাংবাদিক জামাল খাসোগি

সম্প্রতি খাসোগি হত্যা মামলায় ৮ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছে সৌদি আরবের একটি আদালত। তব এ হত্যাকাণ্ডে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে দেশটির কতৃপক্ষ।

এ ছাড়া উল্লখযোগ্য অন্তত ৫ জন নারী অধিকারকর্মীকে আটকে রেখেছে সৌদি সরকার। যাদের মধ্যে লুইজিন আলহ্যাথলোলও আছেন, যিনি সৌদিতে মেয়েদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়ার দাবিতে সোচ্চার ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ থেকে ১৯ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য ছিল সৌদি আরব। দেশটি আবারো সদস্য পদ পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, কাউন্সিলের সুপারিশগুলো মানার পর যেন তারা এর সদস্য হবার কথা মাথায় আনে, তার আগে নয়।

sheikh mujib 2020