advertisement
আপনি দেখছেন

ইরান তাদের নিজেদের প্রতিরক্ষায় স্বাবলম্বী এবং অস্ত্র কেনার প্রয়োজন তাদের নেই বলে দাবি করেছে তেহরান। রোববার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতি এ দাবি করে।

iran missile 10 september 20ইরানের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র, গত ১০ সেপ্টেম্বর (২০২০) পারস্য উপসাগরের মহড়ায় নিক্ষেপ করা হয়

দীর্ঘ বছর পর ইরানের ওপর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উঠে গেছে। এর ফলে ইরান বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কিনতে ও নিজেদের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম অন্য দেশের কাছে বিক্রি করতে পারবে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো খবর প্রকাশ করেছে। এমনই প্রেক্ষাপটে ওই কথা জানালো তেহরান।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের জনগণ ও দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে দেশের প্রতিরক্ষা মতাদর্শ…গণবিধ্বংসী অস্ত্র এবং অপ্রচলিত অস্ত্র ও প্রচলিত অস্ত্র কেনার তাগিদ ইরানের প্রতিরক্ষা মতাদর্শে নেই।

zarif iran 2019ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ

এর আগে রোবার সকালে এক টুইটবার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেন, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়া ইরানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সমাজের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এর ফলে বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থা এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় আরেক ধাপ অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে অনৈতিক মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করে আন্তর্জাতিক সমাজ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব রক্ষা করেছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে রোববার ভোর সাড়ে ৩টায় ইরানের ওপর আরোপিত জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উঠে গেছে। নিষেধাজ্ঞাটি পুনরায় চালু করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে মার্কিন প্রশাসন। তবে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো তা শোনেনি।

sheikh mujib 2020