advertisement
আপনি দেখছেন

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় প্রায় ৬০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

crying of rohingya motherরোহিঙ্গাদের কান্না

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে যৌথভাবে সম্মেলনের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের উদ্বাস্তু নাগরিকদের সহায়তায় চলতি ২০২০ সালের জন্য ১০০ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু তার অর্ধেক অর্থও আসেনি। তাই অর্থ সংগ্রহের নিমিত্তে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

eight pictures of rohingya violanceরোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার আর্মির নৃশংসতা

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র। গতকালের সম্মেলনে দেশটি আরো ২০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ ছাড়া ইইউ ১১ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং যুক্তরাজ্য দেবে ৬ কোটি ডলার। এর বাইরে আরো কয়েকটি দেশ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেছেন, সব মিলিয়ে ৫৯৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে মানবিক সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে জোরালো অবস্থানের প্রতিফলন ঘটিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর সাড়াশি অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। নৃশংস সেই অভিযানের শিকার হয়ে সাড়ে সাত লাগের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ বলেছে, জাতিগত নিধনের জন্য গণহত্যার উদ্দেশ্যে ওই অভিযান চালিয়েছে মিয়ানমার আর্মি।

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার বেশ কয়েকবার তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে তার বাস্তবায়ন করেনি। ফলে দিন যত যাচ্ছে ততই রোহিঙ্গাদের আঞ্চলিক সমস্যার কারণ হিসেবে উদ্বেগ বাড়ছে।

sheikh mujib 2020