advertisement
আপনি দেখছেন

বিরোধপূর্ণ নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে আর্মেনিয়ার সঙ্গে আজারবাইজানের চলমান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে তুরস্ক। তবে বিষয়টি যুদ্ধরত দেশ দুটির সম্মতির ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া।

erdoan putinপুতিন ও এরদোয়ান

গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আবাসিক প্রাসাদ ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া চাইলে কারাবাখ নিয়ে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পারে তুরস্ক।

এ বিষয়ে রাশিয়া কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এর আগে মস্কোর মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। কিন্তু সে সমঝোতা এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ মেনে চলছে না।

নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে দেশ দুটির চলমান সংঘাত বন্ধে আন্তর্জাতিক সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দেয় তুরস্ক। এর মধ্যে রাশিয়া আর্মেনিয়ার পক্ষে এবং তুরস্ক আজারবাইজানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

dmitry peskov 1দিমিত্রি পেসকভ

তবে শান্তি আলোচনায় মস্কো ও আঙ্কারার একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তাবের সরাসরি বিরোধিতা করেছে আর্মেনিয়া। আর তুরস্কের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো আলোচনাই সফল হবে না বলে জানিয়েছে আজারবাইজান।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সংঘাত বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়ে আসছে। এরপর গত ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দেশ দুটি। পরদিন থেকে তা কার্যকরের কথা থাকলেও কয়েক মিনিটের মাথায় পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের অভিযোগ আসে।

দ্বিতীয় দফায় গত শনিবার রাত থেকে আবারো যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা জানানো হয়। এ দফায়ও তা কার্যকরের খানিক পরই গাঞ্জাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আর্মেনিয়া। পরে আজারবাইজানও দাবি করে, আর্মেনীয় দখল থেকে আরো বেশ কিছু এলাকা মুক্ত করেছে তারা। এরপর থেকে উভয় পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

sheikh mujib 2020