advertisement
আপনি দেখছেন

প্রখ্যাত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তুরস্কের একটি আদালত আরো ছয় সৌদি নাগরিককে সন্দেহভাজনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মধ্যে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের সাবেক দুই সহকারীও রয়েছেন।

protest jamal kashoggiজামাল খাশোগি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের সৌদি কনস্যুলেট অফিসে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর জামাল খাশোগিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সৌদি যুবরাজের নির্দেশেই তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কারণ বিন সালমানের নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন সাংবাদিক খাশোগি।

তুরস্কের ওই আদালত গতকাল মঙ্গলবার বলেছে, এসব ব্যক্তিকে নতুন করে সন্দেহভাজনের তালিকায় যুক্ত করার কারণ হলো হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত সত্য উন্মোচন করা।

crown prince muhammad bin salmanসৌদি যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমান

পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলের আদালতে বিষয়টি নিয়ে দ্বিতীয় দফা শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সন্দেহভাজনের তালিকায় ২০ জনকে অন্তুর্ভুক্ত করা হয়।

সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা উপ-প্রধান আহমাদ আল-আসিরি এবং বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সৌদ আল-কাহতানিকে আগেই বর্বর এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত করেছেন তুরস্কের সরকারি কৌঁসুলিরা।

friends of jamal kashoggiগণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন আয়মান নূর (মাঝে)

প্রতিবেদনে জানানো হয়, মিশরের ভিন্ন মতাবলম্বী রাজনীতিক আয়মান নূর গতকালের শুনানিতে সাক্ষ্য দেন। ৫৯ বছর বয়সী জামাল খাশোগি তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আয়মান নূর বলেন, সাংবাদিক জামাল খাশোগি তাকে জানিয়েছিলেন যে, যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ লোকজন তাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সৌদি আরব গত সেপ্টেম্বর মাসে ২০ জনকে ৫ বছর এবং তিন জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়। যে রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মহল।

sheikh mujib 2020