advertisement
আপনি দেখছেন

একদিকে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ অন্যদিকে ভাইরাসটির নতুন স্ট্রেইন, করোনার কারণে সবমিলিয়ে জেরবার অবস্থা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের। সংক্রমণ ঠেকাতে মরিয়া হয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে দেশগুলো। দুদিন আগে কারফিউর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। এবার সব ধরনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাজ্য। ১৮ জানুয়ারি থেকে এই নিষেধাজ্ঞা ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

boris icuবরিস জনসন

নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণের শক্তিশালী দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা, বিশেষ করে অজ্ঞাত স্ট্রেইনের মোকাবেলা করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ব্রাজিলে করোনার নতুন স্ট্রেইন চিহ্নিত হওয়ার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ আমেরিকা ও পর্তুগালের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় যুক্তরাজ্য। পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার সেটা করা হলো প্রায় পুরো বিশ্বের সঙ্গে। এই ঘোষণার মাধ্যমে যুক্তরাজ্য প্রবেশের স্থল, নৌ ও আকাশ পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হলো। তবে বিশেষ অনুমতিতে অন্য দেশে থাকা বৃটিশ নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারবেন।

সেক্ষেত্রে কোভিড-১৯ এর নেগেটিভ সার্টিফিকেট তো লাগবেই, দেশে পৌঁছে থাকতে হবে অন্তত ১০ দিনের বাধ্যতামূলক আইসোলেশনে।

sheikh mujib 2020