advertisement
আপনি দেখছেন

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তির কয়েক মাস পর সুদান দেশটিতে প্রথম প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে বলে যে খবর বেরিয়েছে, তা অস্বীকার করেছে সুদান। দুটি সুদানি সূত্র জানিয়েছে, খার্তুম পরিকল্পিত এ সফর বাতিল করেছে।

israel sudan 1ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রতিবাদে সুদানে বিক্ষোভ

সূত্রগুলি এর আগে জানিয়েছিল, নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সুদানের একটি প্রতিনিধিদল আগামী সপ্তাহে ইসরায়েল সফর করবে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তিতে রাজি হয় সুদান। দেশটির মন্ত্রিসভা এ মাসে ইসরায়েলকে বয়কট করা-সংক্রান্ত একটি আইন বাতিল করে। ইস্যুটি নিয়ে দেশটির জনগণ বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

সুদানি সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েলে সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু পরে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসে। কেন পরিকল্পনায় পরিবর্তন এলো, সূত্রগুলো এর ব্যখ্যা দেয়নি। তবে এটি পরিষ্কার যে, সুদানি জনগণের অসন্তোষের কথা মাথায় রেখে এ পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে সরকার।

সুদানের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বলেছে, সুদানের নিরাপত্তা প্রতিনিধিদলের ইসরায়েল সফর নিয়ে কিছু গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে খবর এসেছে, তা সঠিক নয়।

israel sudan 2ইসরায়েল এবং সুদানের জাতীয় পতাকা

সম্প্রতি সুদানি মন্ত্রিসভা একটি আইন বাতিল করে, যেখানে ইসরাইলকে বয়কট করার বিষয়টি স্বীকৃত ছিল। যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই ইসরাইলের ওপর এ আইনটি আরোপ করে সুদান।

সুদানের মন্ত্রিসভার বিবৃতিতে বলা হয়, সুদানের মন্ত্রিরা একটি নতুন আইন প্রণয়ন করেছেন। এ আইনের মাধ্যমে ১৯৫৮ সাল থেকে ইসরাইলের ওপর বয়কটের বিষয়ে যে আইন ছিল, তা বাতিল হয়েছে।

এ বিবৃতিতে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, ফিলিস্তিনি ইস্যু সমাধানে সুদান সবসময় সক্রিয় থাকবে। সুদানের মতে, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে এ ইস্যুর নিষ্পত্তি হবে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, চূড়ান্তভাবে মন্ত্রিসভা এবং সার্বভৌম পরিষদে স্বীকৃতি পাওয়ার পরই আইনটির প্রয়োগ হবে।

সুদান যুক্তরাষ্ট্রের চাপেই ইসরাইলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। এ চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক’ রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেয়।