advertisement
আপনি দেখছেন

দ্বিধাবিভক্ত ও সংঘাতপূর্ণ লিবিয়া থেকে বিদেশি যোদ্ধাদের প্রত্যাহারের বিষয়টি তুরস্কের সামনে এনেছে দেশটি। ত্রিপোলি সফররত উচ্চ পর্যায়ের একটি তুর্কি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন লিবিয়ার কর্মকর্তারা।

president libya turkey

তুরস্কের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগ্লু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার। তাদের সঙ্গে রয়েছেন গোয়েন্দা প্রধান হাকান ফিদান ও চিফ অব স্টাফ ইয়াসার গুলও।

পার্সটুডে জানায়, সম্প্রতি জাতিসংঘের ঘোষণা করা একটি প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন নিয়ে তুর্কি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা করেন লিবিয়ার কর্মকর্তারা। এ সময় দেশটি থেকে বিদেশি যোদ্ধা প্রত্যাহারের প্রসঙ্গটি উঠে।

সফর নিয়ে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগ্লু ও লিবিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাজলা আল-মানকুস। এতে তুরস্কের অগ্রাধিকার হিসেবে লিবিয়ার অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার বিষয়টি তুলে ধরেন মেভলুত।

libya turkey

এর আগে বৈঠকে জাতিসংঘের প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান লিবিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর জবাবে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, লিবিয়ার আগের সরকারের সঙ্গে করা চুক্তির আওতায় সেদেশে তুর্কি সেনা ও যোদ্ধারা মোতায়েন রয়েছে।

এসব তুর্কি সেনা ও যোদ্ধারা লিবীয় সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, চুক্তি মোতাবেক তারা মোতায়েন থাকবে, এতে জাতিসংঘ প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

তুর্কি প্রতিনিধি দলের এই সফরে লিবিয়ার নতুন প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক পুর্নির্ধারিত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। ত্রিপোলির নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও আগের চুক্তি ও সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে চায় আঙ্কারা।

প্রসঙ্গত, দু’টি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা লিবিয়ায় এখনো কমপক্ষে ২০ হাজার বিদেশি ও ভাড়াটে যোদ্ধা থাকার কথা সম্প্রতি জানান জাতিসংঘ দূত স্টেফানি উইলিয়ামস। বিদ্রোহী জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বেনগাজী ভিত্তিক আরেকটি সরকার।