advertisement
আপনি দেখছেন

ভারতে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে মহামারি করোনাভাইরাস। রাজধানী দিল্লির অবস্থা খুবই সঙ্গীন। এছাড়া মহারাষ্ট্র, কেরালা, কর্নাটক, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতেও তুলনামূলক বিচারে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মহামারিটি এখন হাঁটছে পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর দিকে।

india update 18april

ভারতের গবেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের পরবর্তী টার্গেট হতে যাচ্ছে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, ঝাড়খণ্ড ও বিহার। রাজ্যগুলোতে এখনও করোনাভাইরাসের আস্ফালন চলছে তবে সেটা দিল্লির মতো মারাত্মক নয়। গত সপ্তাহখানেকের পরিসংখ্যান বলছে পূর্বাঞ্চলীয় এই পাঁচটি রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ, বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।

পশ্চিমবঙ্গের কথাই ধরা যাক, এক সপ্তাহ আগেও এই রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ১০ থেকে ১২ হাজারের ঘরে। গতকাল সেটা ছাড়িয়ে গেছে ১৮ হাজার। সম্প্রতি রাজ্যটিতে যে বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গেল, তার কারণেই পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং তার আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

বিহারে গত ৩ মে শনাক্ত করা হয়েছিল ১১ হাজার করোনা রোগী। গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ মে) সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ১৫ হাজার। যারা নমুনা পরীক্ষা করতে আসছেন, তাদের শতকরা ২০ জনের শরীরেই ভাইরাসটির উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা খুবই উদ্বেগজনক। রাজ্যে লকডাউন জারি করেও সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

india update 13april

পরিস্থিতি যখন এই, তখন পূর্বাঞ্চলের উল্লিখিত পাঁচটি রাজ্যে তথা আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, ঝাড়খণ্ড ও বিহারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গত ৫ মে একটি বৈঠক করেছে দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানে দেশটির বড় বড় স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠক থেকে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রাজ্যগুলোর এমবিবিএস শেষ বর্ষের সব শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে কোভিড চিকিৎসায় যুক্ত করতে হবে। করোনা টেস্ট বাড়াতে হবে, বাড়াতে হবে আইসোলেশন ব্যবস্থা। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে অক্সিজেন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।