advertisement
আপনি দেখছেন

এবার চীনা ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম উদ্ভাবিত করোনা টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে চীনা টিকা সংস্থাটির এই স্বীকৃতি পেল।

sinopharm cv vaccine

বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত চীনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর আগে ডব্লিউএইচও’র অনুমোদন পেয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনা টিকা।

বিবিসি জানায়, এরইমধ্যে চীনা টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ। সব মিলিয়ে চীনসহ এই দেশের সংখ্যা ৪৫টি। এসব দেশের লাখ লাখ মানুষের শরীরে দেশটির টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে।

সম্প্রতি চুক্তির পরেও ভারত একতরফাভাবে করোনার টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দিলে চীন ও রাশিয়ামুখী হয় বেকায়দায় পড়া বাংলাদেশ। দেশ দুটির তৈরি টিকা সিনোফার্ম ও ‘স্পুটনিক ভি’- এর জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়।

who logo

সেইসঙ্গে টিকা দুটি যৌথভাবে বাংলাদেশে উৎপাদনের বিষয়ে বেইজিং-মস্কোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা। অল্প সময়ের মধ্যে বেইজিংয়ের উপহার হিসেবে ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বলে জানিয়েছে সরকার। এই অবস্থায় চীনা টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন লাভ করায় ঢাকার জন্য ‘সুখবর’ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

এ ছাড়া চীনের সিনোভ্যাকের করোনার টিকাও পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদন দেয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র।

এদিকে, রাশিয়ার কাছ থেকে ‘স্পুটনিক ভি’ টিকা বেশি সংখ্যায় আমদানি করতে জরুরি ভিত্তিতে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় সরকার। এটি হলে এক মাসের মধ্যে প্রথম চালানে ১০ লাখ ডোজ টিকা আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।