advertisement
আপনি দেখছেন

গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত পঞ্চম দিনে গড়ানোর পর ‘যুদ্ধবিরতি’র প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। মিশরের নজরদারিতে এটি কার্যকর হওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি।

israel vs palestine

এ প্রস্তাবকে সরাসরি স্বাগত না জানালেও পরোক্ষভাবে সমর্থন জানিয়েছে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। সংগঠনটি বলেছে, কেবল গাজায় নয়, পবিত্র জেরুজালেমকেও এর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

গাজার পাশাপাশি আল কুদস খ্যাত ওই শহরেও হত্যা, উচ্ছেদ ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে এবার ‘অপারেশন আল কুদস সোর্ড’ শুরু করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো।

এদিকে, ইসরায়েলের টুয়েলভ চ্যানেলের বরাত দিয়ে আল-কুদস টেলিভিশন জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত রুশ প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। খবর পার্সটুডের।

israeli attack on gaza

চলমান সংঘাত বন্ধে আন্তর্জাতিক মহল থেকে প্রথমবারের মতো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলো রাশিয়া। তবে এ ইস্যুতে মিশর, কাতার ও জাতিসংঘ জোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাসিত হামাস নেতা সালেহ আরুরি।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের চির শত্রু দেশ দুটির নতুন এই সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শান্তি ফেরাতে সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা আরো বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

বিষয়টি জানিয়ে সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য শান্তি দূত টর ওয়েনেসল্যান্ড বলছেন, এতে কার্যত ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দিকে এগিয়ে’ যাচ্ছে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল। সেখানে যুদ্ধাপরাধ ঘটছে কিনা, সে দিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

palestinian rocket rain 4

অন্যদিকে, গত ৫ দিনের মধ্যে গতরাতে দুই পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ লড়াইয়ের ঘটনা ঘটে। এদিন সকালে ১৬০টি বিমান একযোগে গাজায় বোমা ফেলে ইসরায়েলি বাহিনী। জবাবে কয়েক ঘণ্টায় ইসরায়েলে ২৫০টি রকেট ছুড়েছে হামাস।

এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৮০০টি রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গতকাল পর্যন্ত ডজনখানেক ইসরায়েলি নিহত এবং বেশ কয়েক ডজন আহত হয়। এর বিপরীতে ইসরায়েলি হামলায় ​২৮ শিশুসহ ১১৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরো ৫৮০ জন আহত হন।