advertisement
আপনি দেখছেন

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু বলেছেন, আফগানিস্তানের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা সরবরাহ একটি নৈতিক দায়িত্ব। জাতিসংঘের মন্ত্রীপর্যায়ের এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকের আয়োজন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস। সেখানে কাভুসোগলু সতর্ক করে বলেন, আফগানিস্তানের মানবিক ও নিরাপত্তা সংকট পুরো বিশ্বে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। বিশ্ব নেতাদের উচিত এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। হুররিয়েত ডেইলি।

the humanitarian crisis in afghanistan will affect the whole worldতুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মানবিক সহায়তা সরবরাহ একটি নৈতিক দায়িত্ব

জাতিসংঘ মহাসচিবকে এ ব্যাপারে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তালেবান অর্ন্তবর্তী সরকার গঠন করেছে। স্থিতিশীল আফগানিস্তানের জন্য এখন জনগণের নিরাপত্তা পূর্বশর্ত। এখন আফগানে একটি সরকার যেহেতু রয়েছে, সেহেতু এখন সেখানে মানবিক সহায়তা দ্রুত ও সহজে সরবরাহ করা সম্ভব।

কাভুসোগলু বলেন, আফগানিস্তানের অর্ধেক মানুষই এখন সংকটের শিকার। তাদের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন এবং দেশটির এক তৃতীয়াংশ মানুষ অভুক্ত রয়েছে, তারা ক্ষুধাজনিত বিপর্যয়ের শিকার।

turkey foreign minister mevlut cavusogluতুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু

তিনি বলেন, তুরস্ক সর্বদা আফগানিস্তানের পাশে রয়েছে। দেশটির পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সহায়তার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছি আমরা। নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে ১৯২০ সাল থেকে তুরস্ক আফগানিস্তানে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

টার্কিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আফগান জনগণের সহায়তা দিয়ে যাব। আমাদের কাবুলের দূতাবাসের কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে সর্বদা তৎপর রয়েছেন। যে কোনো সহায়তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কাবুল বিমানবন্দর একটি ফ্যাক্টর। এক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তুরস্ক কাজ করছে।

তিনি বলেন, কাবুল বিমানবন্দরের উন্নয়নে কাতারের সঙ্গে কাজ করতে তুরস্ক আগ্রহী। আঙ্কারা কাবুলে অবস্থানের ছয় বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়। আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তার ব্যাপারে বিশ্ব নেতাদের বাস্তববাদী হওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি।

কাভুসোগলু বলেন, কাবুলের নতুন সরকার স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। তালেবান যে সরকার ঘোষণা করেছে তা একটি অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার। সেখানে সব শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব থাকবে বলেই আমরা আশা করছি।