advertisement
আপনি দেখছেন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের এক নাগরিক স্বীকার করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনকে ভোট দেওয়ার কারণে সে একজনকে হত্যা করেছে। বছরের (২০২০) নভেম্বরে সে হত্যাকাণ্ডটি ঘটায়। বাইডেনকে ভোট দেওয়ার ক্ষোভ প্রশমিত করতে হত্যাকাণ্ডের আশ্রয় নেয় সে। স্থানীয় কেডিবিসি নিউজের বরাত দিয়ে খবরটি দিয়েছে যুক্তরাজ্যের আইবিটাইমস।

joseph angel alvarezজোসেফ অ্যাঞ্জেল আলভারেজ

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম জোসেফ অ্যাঞ্জেল আলভারেজ। খুন হওয়া নারীর নাম জর্জেট কাফম্যান। একই সঙ্গে তার স্বামী দানিয়েল কাফম্যানকে গুলি করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। টেক্সাসের থ্রিকে ব্লকের কপার এভিনিউয়ের এল পাসোতে এই ঘটনা ঘটে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ৩৮ বছর বয়সী খুনি জোসেফ গ্রেপ্তার হয়। ট্রাম্পের বিপরীতে বাইডেনের সমর্থকরা তাদের কার্যক্রম চালাক, তা সহ্য হয়নি জোসেফের।

জোসেফের গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় জানা যাচ্ছে, ২০২০ সালের ১৪ নভেম্বর ডানিয়েল কফম্যান বাড়ি থেকে প্রতিবেশীদের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পরেই তাকে পাঁচবার গুলি করা হয়। মাথায়, কাঁধে ও কব্জিতে গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে গাড়ির গ্যারেজে তার স্ত্রী জর্জেটের লাশ পাওয়া গেছে।  

তদন্তকারী ৯০২ ডি মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ গুগল প্রযুক্তির সাহায্যে অপরাধের সমাধান করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে তাদের কাছে একটি ইমেইল বার্তা আসে।

ওই বার্তায় কাফম্যানের বাড়িতে আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছিল জোসেফ। হামলার কারণ হিসেবে ওই বার্তায় জোসেফ জানায়, বাইডেনের পক্ষে পতাকা টানানো ও বাইডেনকে ভোট দেওয়ার কারণে তাদের হত্যা করা হয়।

তদন্তকারীরা জানতে পারে, জোসেফ এমন একটি দলের সমর্থক যারা ‘জিউস স্যাটানিক পার্টি’র সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে আরও নানা অপরাধের অভিযোগও পায় তদন্ত দল।

খবরে বলা হয়, জোসেফ ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের ঠিকাদার জিএটি (জেনারেল এভিয়েশন টার্মিনাল) নামে একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। একজন মহিলা সহকর্মীর পিছু নেওয়ার অপরাধে তাকে বরখাস্ত করা হয়।