advertisement
আপনি দেখছেন

সরকার গঠন নিয়ে একাধিকবার তারিখ ঘোষণা করেও পিছু হটেছে তালেবান। শপথ গ্রহণ নিয়েও ঘটেছে একই ঘটনা। তখনই ক্ষমতা ভাগাভাগি নিয়ে তালেবান নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কথা চাউর হয়। এবার তার প্রাথমিক সত্যতা মিলল। তালেবানেরই একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন নেতারা। খবর বিবিসির।

mullah abdul ghani baradarআবদুল ঘানি বারাদার

তালেবানের একটি সূত্র বিবিসি পশতুকে জানিয়েছে, দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে তালেবানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আবদুল ঘানি বারাদার এবং শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রী খলিল উর রহমান হাক্কানির মধ্যকার বাকবিতণ্ডার কারণে। দিনকয়েক আগে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে এই দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। সেখানে থাকা দুজনের অনুসারীরাও বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

খলিল উর রহমান হাক্কানি আফগানিস্তানের সশস্ত্র গোষ্ঠি হাক্কানি নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। অন্যদিকে কূটনৈতিকভাবে তালেবানকে এগিয়ে নিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা বারাদারের। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে দোহা চুক্তি হয়েছিল, সেখানেও স্বাক্ষর করেছেন বারাদার। চুক্তির সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাধিকবার বারাদারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

taliban flagতালেবানের পতাকা

যুদ্ধের ময়দানে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন খলিল উর রহমান হাক্কানি অন্যদিকে কূটনৈতিকভাবে সবচেয়ে বড় ভূমিকা বারাদারের। তালেবানের বিজয়ে কৃতিত্ব কার হবে, সেটা নিয়ে দ্বন্দ্বের উৎপত্তি। খলিল উর রহমান হাক্কানি বলছেন, যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা আফগানিস্তান স্বাধীন করেছি। আবদুল ঘানি বারাদার বলছেন, কূটনৈতিকভাবে যারা তালেবানকে এগিয়ে নিয়েছেন, কৃতিত্ব তাদের।

সূত্রটি বিবিসিকে নিশ্চিত করেছে, তর্ক-বিতর্কের পর কাবুল ছেড়ে কান্দাহারে চলে গেছেন আবদুল ঘানি বারাদার। তবে তালেবানের একজন মুখপাত্র বলছেন, সুপ্রিম লিডরের সঙ্গে দেখা করতে কান্দাহারে গেছেন বারাদার। শিগগিরই তিনি ফিরে আসবেন। তালেবানের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধ নেই।