advertisement
আপনি দেখছেন

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আল কায়েদা আফগানিস্তানে আবারো সুসংগঠিত হয়ে উঠতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। শীর্ষ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, আফগানিস্তানে তালেবানের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানে আল কায়েদার কিছু সদস্য ফিরে এসেছেন।

lt. gen. scott d. berrierডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্কট ডি বেরিয়ার

আফগানিস্তানের নতুন তালেবান সরকার বেশ কয়েকবারই ঘোষণা দিয়েছে, আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে অন্য কারো বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণ চালাতে দেয়া হবে না। এ ব্যাপারে তালেবানের সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কার মধ্যেই আল কায়েদা নিয়ে নতুন এ মূল্যায়ন উঠে আসল।

সম্প্রতি বার্ষিক গোয়েন্দা ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি সামিটে মার্কিন শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা উল্লেখ করেছেন, বর্তমান মূল্যায়ন অনুযায়ী কোন দেশকে কিছু করার কমপক্ষে হুমকি দেয়ার জন্য আল কায়েদার এক দুই বছর প্রয়োজন।

taliban leaders 2তালেবান নেতৃবৃন্দ

সিআইএর ডেপুটি ডিরেক্টর ডেভিড এস কোহেন বলেন, আল কায়েদা বা দায়েশের স্থানীয় সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দেওয়ার ক্ষমতা কখন পাবে তা সনাক্ত করা কঠিন। তবে সিআইএ আল কায়েদার সম্ভাব্য গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখছে। জেনারেল বেরিয়ার বলেন, আমরা সব ধরনের উৎস দিয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশের উপায় নিয়ে ভাবছি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি দোহায় তালেবানের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নাইন ইলেভেনের হামলায় কোনো আফগান জড়িত ছিল না। আমার মনে আছে আমরা এই ঘটনার নিন্দা করেছি। আব্দুল সালাম জাইফ ছিলেন পাকিস্তানে রাষ্ট্রদূত এবং আমি একজন সহযোগী ছিলাম। আমরা একটি সংবাদ সম্মেলন ডেকে ঘটনার নিন্দা জানিয়েছিলাম।

সে সময় তিনি আরো বলেন, আমরা তখনই অনুরোধ করেছিলাম, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হোক, তবু তোমরা আফগানিস্তানে আক্রমণ করো না। কিন্তু তারা কথা শোনেনি এবং সেই আক্রমণের ফল এখন সবার সামনে।

আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে তালেবান এখন একটি নীতি তৈরি করেছে, যাতে বলা হয়েছে আফগান মাটি যেন কেউ অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করতে পারে, যোগ করেন শাহিন।

সূত্র: জিও টিভি