advertisement
আপনি দেখছেন

আফগানিস্তানের নাগরিকদের ওপর নজরদারি ও সরকারের কঠোর শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দমনে চীনা সাইবার গুপ্তচর নিয়োগ করেছে তালেবান। দেশটির ল্যান্ড লাইন, মোবাইল নেটওয়ার্কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি চালাতে সেখানে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের পাঠিয়েছে বেইজিং।

taliban recruit chinese cyber spyesনজরদারি ও বিদ্রোহ দমনে চীনা গুপ্তচর নিয়োগ করেছে তালেবান, কাবুল বিমানবন্দরের ছবি

পশ্চিমা গোয়েন্দা সূত্র বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিত হওয়া বিদ্রোহীদের দমনে চীনা গুপ্তচর নিয়োগ করেছে তালেবান। যেমনটি আরব বসন্তের সময় মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ঘটেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সূত্র বলেছে, ‘চীন তালেবানদের সমর্থন লাভের চেষ্টা করছে। তারা দীর্ঘ সময় ধরে নাগরিকদের যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করেছে। তারা ফোন, ইন্টারনেট, সব ধরনের যোগাযোগ পর্যবেক্ষণে পারদর্শী হয়ে উঠেছে। ‘

গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, এটি সম্ভবত তালেবানকে সমগ্র দেশের উপর অপরিসীম ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ দেবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দমনে দক্ষ হয়ে উঠবে তালেবান। প্রাক্তন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীদের ওপরও নজরদারি চালাতে পারবে।

taliban self claimed security chiefকাবুলের একটি মসজিদে এক তালেবান নেতার ভাষণ

তালেবান প্রধানদের শঙ্কা রয়েছে, জাতীয় প্রতিরোধ ফ্রন্ট ও নারী অধিকার কর্মীদের মতো দলগুলো ব্যাপক সমর্থন পেতে পারে। তালেবান ইতোমধ্যেই নারী অধিকার কর্মীদের বিক্ষোভ প্রতিরোধ করেছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে পেশাগত দায়িত্বপালন কালে দেশটির দুই সাংবাদিককে তালেবানরা মারধর করেছে বলে অভিযোগ আছে।

সূত্রটি দ্য মিররকে বলেছে, ‘চীন যদি তার নিজের দেশের মতো নজরদারি ব্যবস্থা চালু করতে পারে তবে তালেবান তার জনসংখ্যার উপর ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ চালাতে পারবে। প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ ও পর্যবেক্ষণের পরিবেশ তৈরি হলে তা আফগানিস্তানে মানবাধিকারের জন্য ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে।’

সূত্র: দ্য ডেইলি মিরর