advertisement
আপনি দেখছেন

চলতি বছর নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ১৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নারী মাত্র ১ জন। ফলে বিশ্বের সবচেয়ে দামী এই পুরস্কারের ক্ষেত্রে বৈষম্য হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এই বিতর্ক থামাতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেন রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের প্রধান গোরান হ্যানসন।

nobel prizeনোবেল পুরস্কার, ফাইল ছবি

নোবেল বিজয়ী নারীদের সংখ্যা কম থাকাটা দুঃখজনক মন্তব্য করে গত সোমবার তিনি বলেন, এবার মাত্র একজন নারী নোবেল জিতেলেও কোনো লিঙ্গ কোটা নেই। লিঙ্গ বা জাতিগত কোটা না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করার কারণে প্রত্যেক বিজয়ীকে গ্রহণ করা হবে। এই আবিষ্কার লিঙ্গ বা জাতিগত কারণে হয় না, এটি আলফ্রেড নোবেলের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সব যোগ্য নারী পুরস্কারের মূল্যায়নে সুষ্ঠু সুযোগ পাওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে গোরান হ্যানসন বলেন, নারী বিজ্ঞানীদের মান উন্নয়নের বিষয় উৎসাহিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আগের দশকের চেয়ে এখন অনেক বেশি নারী স্বীকৃতি পেয়ে থাকেন, যা খুব কম নয়। সবচেয়ে যোগ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কার দেয়া হবে।

maria resa goran hansonমারিয়া রেসা ও গোরান হ্যানসন, ফাইল ছবি

১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫৯ জন নারী বিজয়ী হয়েছেন, যার হার মাত্র ৬ দশমিক ২। এই তালিকায় যুক্ত হওয়া সবশেষ নামটি হলো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী মারিয়া রেসা (ফিলিপাইন)। এর আগেও লিঙ্গ বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে, যা বরাবরই নাকচ করে আসছে কর্তৃপক্ষ। তবে এবারের বিতর্কটি নতুন মাত্রা পেয়েছে নারীবাদীদের প্রচার-প্রোপাগাণ্ডার কারণে।