advertisement
আপনি দেখছেন

দুই মাস পূর্ণ হয়ে গেল, তালেবান শান্তিপূর্ণভাবে কাবুলের দখল নিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে পাঞ্জশির ছাড়া আর কোনো স্থানে তালেবান যোদ্ধারা কারো সাথে সংঘাতে জড়ায়নি। এমনকি সংঘাতে উৎসাহও যোগায়নি। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আফগানিস্তানকে কোনো দেশের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না। সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে তালেবান। 

fear about indiaকাশ্মিরে সেনা টহল

তারপরও চিন্তিত ভারত। জম্মু-কাশ্মিরে সেনা ক্যাম্পকে শক্তিশালী এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। কারণ হিসেবে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানে বলছেন, দুই দশক আগে যখন তালেবান ক্ষমতায় ছিল, তখন জম্মু-কাশ্মিরে আফগান বংশোদ্ভূত বিদেশি সন্ত্রাসীরা ছড়িয়ে পড়েছিল। আশঙ্কা রয়েছে, আবারও একই ঘটনা ঘটতে পারে। ডন, ফ্রান্স২৪।

তালেবানের কাবুল দখলের পর গত দুই মাসে ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরে সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সামরিক বাহিনীর সদস্য যেমন আছেন, আছেন পুলিশী পোষাকধারীরাও। ভারত প্রকাশ্যে এর জন্য তালেবানকে দায়ী করেনি। কিন্তু তাদের আশঙ্কা, তালেবান যোদ্ধারা কাশ্মিরে পৌঁছে যেতে পারে। একজন সিনিয়র নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এ নিয়ে ‘কিছুটা আতঙ্ক’ রয়েছে।

army in kashmirভারত অধিকৃত কাশ্মিরে সেনা টহল জোরদার করা হয়েছে

তালেবান সরাসরি হস্তক্ষেপ না করলেও তাদের জয়ে রসদ পেয়ে গেছে কাশ্মিরিরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রীনগরের এক ব্যবসায়ী এএফপিকে বলেন, যদি তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তিকে পরাজিত করতে পারে, তাহলে আমরাও স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে পারি। কাশ্মিরের একজন স্বাধীনতাকামী জানান, তালেবানের বিজয় আমাদের আন্দোলনে অক্সিজেন সরবরাহ করছে।

গত বেশ কিছুদিন যাবৎ কাশ্মিরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে ভারত আরো বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই সেনা-স্বাধীনতাকামীদের মধ্যে লড়াই চলছে। স্বাধীনতাকামীদের তুলনায় সেনাসদস্য বা পুলিশ সদস্যদের হতাহতের সংখ্যা কম নয়। ফলে অধিকৃত কাশ্মির নিয়ে মোদি সরকারের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।