advertisement
আপনি দেখছেন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ইরান। দেশটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে উন্নত বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি মোতায়েন শুরু করেছে। সিরিয়াসহ যেখানে ইসরায়েল বিমানবাহিনীর জেট নিয়মিত বিমান হামলা চালায়, সেখানেই ইরানের এই অস্ত্র ব্যবহৃত হবে। জেরুজালেম পোস্ট।

iran israel possible warমুখোমুখি ইরান ও ইসরায়েল

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়া ও লেবাননে ইরানি অনুপ্রবেশ এবং হিজবুল্লাহর কাছে উন্নত অস্ত্র সরবরাহকে ব্যর্থ করার প্রয়াসে শত শত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। ইরানের পাশাপাশি ইরাকেও যুদ্ধের অংশ হিসেবে নানা অভিযান চালাচ্ছে তারা।

খবরে বলা হচ্ছে, গত এক বছরে সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ওই অস্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়েছে। ২০১৮ সালে একটি এফ-১৬ বিধ্বস্ত হয় উত্তর ইসরায়েলে। এটি মূলত সিরিয়ান বাহিনীর নিক্ষেপ করা এস-২০০ ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা আঘাত করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিরিয়াও ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করছে।

iran israyel homeইরান ও ইসরায়েলের পতাকা

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর জন্য ইরান একটি বিশেষ টার্গেট। দেশটির চিফ অফ স্টাফ লে. আভিভ কোহাভি যুদ্ধ প্রস্তুতি ও সামরিক মহড়ার জন্য অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বাজেট বরাদ্দ রেখেছেন। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার জন্য সেনাদের নিবিড় প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইসরায়েল।

এদিকে, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইরান তাদের বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি আরও শক্তিশালী করেছে। রাডারলোকে মিসাইল লঞ্চার থেকে আলাদা করেছে। এমন পদক্ষেপ দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যে কোনো অভিযান ঠেকিয়ে দেবে।

ইসরায়েলের বিমান বাহিনী মনে করে, ইরানের ড্রোন সক্ষমতা উদ্বেগজনক ও অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্য বড় হুমকি। ২০১৯ সালের আরামকো হামলা এবং চলতি বছরের শুরুতে মার্সার স্ট্রিট আক্রমণেও তা প্রতীয়মান হয়েছে।