advertisement
আপনি দেখছেন

ইসরায়েল ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান মহাকাশ সংস্থা একটি লোটারিং যুদ্ধাস্ত্র কর্মসূচিতে একসঙ্গে কাজ করছে। যে প্রযুক্তির মাধ্যমে শত্রুর প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে বিমান হামলার কার্যকারিতা শক্তিশালী করবে দুই দেশ। এ বিষয়ে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ, আইএআই, এবং কোরিয়া অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ, কেএআই, একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির আওতায় প্রকল্প সম্পর্কিত যৌথ সম্ভাব্যতা অধ্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা হবে।

israel and south korea security dealড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে ইসরায়েল-দক্ষিণ কোরিয়া চুক্তি

দ্য ডিফেন্স পোস্ট জানায়, চুক্তিটির আওতায় থাকবে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক পর্যবেক্ষণ মিশন এবং প্রয়োজনে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা বিকাশের প্রচেষ্টা। এই মাসের শুরুতে সিউল আন্তর্জাতিক মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

এদিকে, গত মার্চ মাসে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সংস্থা মনুষ্যবাহী-মানবহীন লইটারিং অস্ত্র তৈরির দিকে বিশেষ মনোযোগ দেয়। এই যুদ্ধাস্ত্র তৈরির জন্য তারা একটি প্রাথমিক সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষর করে। লইটারিং যুদ্ধাস্ত্র মূলত দীর্ঘ পরিসর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, যা ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতাকে সমন্বয় করে। সংবেদনশীল এবং চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য দুই দেশ আপডেট ভার্সন তৈরি করতে চায়।

israel and south korea security deal innerদক্ষিণ কোরিয়া ও ইসরায়েলের পতাকা

কেএআই এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চ্যাং হিওন-হান বলছেন, কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানটি সামরিক বাহিনীর জন্য পরবর্তী প্রজন্মের মনুষ্যবিহীন এরিয়াল ভেহিকল বা ইউএভি প্রযুক্তি বিকাশে কাজ করছে। আর আইএআইতে রয়েছে হ্যারপ লইটারিং মিসাইল ও হারপি এনজিডব্লিউ লইটারিং যুদ্ধাস্ত্র।