advertisement
আপনি দেখছেন

ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন আধুনিকীকরণ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে নৌবাহিনীর একজন কমান্ডারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য চারজনের মধ্যে দুজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং দুজন বেসামরিক নাগরিক। দেশটির সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

submarine 1সাবমেরিন

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, অভিযুক্তরা নৌবাহিনীর রুশ সাবমেরিনগুলো আধুনিকীকরণ প্রকল্পের বেশ কিছু ‘স্পর্শকাতর’ নথি পাচারের সঙ্গে জড়িত। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সাবমেরিনগুলোর ঠিক কী কী তথ্য পাচার করেছেন, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

এদিকে, নিরাপত্তা প্রোটোকল সত্ত্বেও কীভাবে গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়েছে তা খুঁজে বের করতে একজন ভাইস অ্যাডমিরালের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।

indian submarineভারতীয় সাবমেরিন

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, শত্রুর নজর ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতার ওপরই সাবমেরিনের মূল কার্যকারিতা নির্ভর করে। পানির নিচে সাবমেরিন কোন কম্পাঙ্কের মধ্যে আছে, কতখানি শব্দ করছে, কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে তথ্য আদানপ্রদান করছে- তা জানা হয়ে গেলে সাবমেরিন চিহ্নিত করে ধ্বংস করার সুযোগ পেয়ে যায় শত্রুরা।

কয়েক বছর আগে ফ্রান্স থেকে কেনা স্করপিয়ন গোত্রের ছয়টি সাবমেরিনের ক্ষেত্রেও নৌবাহিনীর ‘ওয়ার রুম’ থেকে স্পর্শকাতর তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছিল।

ভারত বর্তমানে ৮টি কিলো-শ্রেণির সাবমেরিন, ৪টি এইচডিডব্লিউ জার্মান অরিজিন সাবমেরিন এবং ৩টি স্করপিয়ন সাবমেরিন পরিচালনা করে। এছাড়া তাদের রয়েছে একটি দেশীয় পরমাণুচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিন।