advertisement
আপনি দেখছেন

নতুন প্রতিরক্ষা জোট ‘অকাস’ এর সদস্য অস্ট্রেলিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক চুক্তি সম্পন্ন করেছে। চুক্তির মাধ্যমে দেশটি নৌবাহিনীকে পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন দিয়ে সজ্জিত করতে পারবে। আজ সোমবার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে অস্ট্রেলিয়া। ‌দ্য ডিফেন্স পোস্ট।

defence minister of australia peter duttonপিটার ডাটন

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার ডাটন সোমবার মার্কিন এবং ব্রিটিশ কূটনীতিকদের সাথে একটি বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দেশগুলো পারমাণবিক নৌ পরিচালনার তথ্য বিনিময় সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে কৌশলগত চীন-মার্কিন বৈরিতা বৃদ্ধির মধ্যেই ওই তিন দেশ গত সেপ্টেম্বরে প্রতিরক্ষা জোট অকাস গঠনের ঘোষণা দেয়। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নৌ-পারমাণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তরে প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হল।

indonesian submarine sunk innerসাবমেরিন, ফাইল ছবি

ক্যানবেরায় ইউএস চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মাইকেল গোল্ডম্যান এবং ব্রিটিশ হাই কমিশনার ভিক্টোরিয়া ট্রেডেলের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পিটার ডাটন জানান, চুক্তিটি অস্ট্রেলিয়াকে সাবমেরিন সংগ্রহের ১৮ মাসের অধ্যয়ন শেষ করতে সহায়তা করবে।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, চুক্তির সাথে সাথে যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন অংশীদারদের নৌ-পরমাণুচালিত অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত হল অস্ট্রেলিয়া। এখন থেকে আমরাও এই প্রযুক্তির দায়িত্বশীল এবং নির্ভরযোগ্য ব্যবহারকারী। চুক্তি স্বাক্ষরের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চুক্তিটি অনুমোদনের স্মারকলিপিতে বলেন, এটি তিনটি দেশের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা কৌশল উন্নত করবে।

অকাস চুক্তির অধীনে অস্ট্রেলিয়া আটটি অত্যাধুনিক পারমাণবিক শক্তি চালিত সশস্ত্র সাবমেরিন পাবে, যেগুলো গোপন ও দূরপাল্লার মিশনে সক্ষম। এটি সমুদ্র তলদেশে সাইবার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তি কাজে লাগাতেও সক্ষম।

চুক্তিটি চীনকে ক্ষুব্ধ করেছে। এটিকে এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য ‘অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ড’ হিসাবে বর্ণনা করেছে চীন। একইসঙ্গে ফ্রান্সকেও ক্ষুব্ধ করেছে চুক্তিটি। চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়ার সাথে ফ্রান্সের করা ৯০ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি বাতিল হয়ে যায়।

তবে এরপ্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ক্ষমা চাননি। বরং তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটি তার দেশের জাতীয় স্বার্থে করা হয়েছে এবং কিছু দেশ ক্ষুব্ধ হবে তাও তিনি জানতেন।