advertisement
আপনি পড়ছেন

লেবানন-ভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্টী ও শিয়া সমর্থিত হিজবুল্লাহকে কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় অস্ট্রেলিয়ার অভিপ্রায়কে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব। সামরিক শাখার পাশাপাশি হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক শাখাও রয়েছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে হিজবুল্লাহকে কালো তালিকায় স্থান দেয়। খবরটি দিয়েছে ইসরায়েলের আরতুজ শেভা।

saudi arabia welcomes australia s hezbollah blacklist

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উদ্ধৃতি দিয়ে আরব নিউজ বলছে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখাতে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ অত্যন্তত গুরুত্ববহ। বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদ এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে দেশটি।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারেন অ্যান্ড্রুস বুধবার, ২৫ নভেম্বর হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেব কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দেন। ওই সময় কারেন বলেন, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি সন্ত্রাসী হামলার হুমকি এবং সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থন প্রদান অব্যাহত রেখেছে। হিজবুল্লাহ অস্ট্রেয়িার জন্য একটি বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য হুমকি তৈরি করেছে।

flag saudi arabia 1

এ ঘটনায় হিজবুল্লাহ অস্ট্রেলিয়ার নিন্দা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, ইসরায়েলি স্বার্থের পরিচর্যায় অস্ট্রেলিয়া এমন পদক্ষেপ নিয়ছে। এটি একটি অন্ধ পক্ষপাতমূলক আচরণ। হিজবুল্লাহকে নিষিদ্ধকারী দেশগুলোর কাতারে চলে গেল অস্ট্রেলিয়া।

জার্মানি গত বছর হিজবুল্লাহকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ফেডারেল আদেশ জারি করে। আদেশের বিধানের অধীনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থাও নিয়েছে।

জার্মানির দেওয়া আদেশ অনুযায়ী, হিজবুল্লাহার কোনো সদস্যের সাথে যেকোনো ধরনের যোগাযোগ নিষিদ্ধ। জার্মানিতে হিজবুল্লাহর প্রতীক এবং সংগঠনটির সম্পদ ব্যবহারও নিধিদ্ধ করা হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে ব্রিটিশ সরকার হিজবুল্লাহকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করে। ব্রিটেনের অর্থ মন্ত্রণালয় হিজবুল্লাহ সংগঠনকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকায় যুক্ত করে ও সম্পদ জব্দ করার আদেশ দেয়।

২০২০ সালের নভেম্বরে স্লোভেনিয়া হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে কালো তালিকাভুক্ত করে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইতালির লিগুরিয়া আঞ্চলিক কাউন্সিল হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণরূপে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে মনোনীত করে। এই বছরের শুরুর দিকে অস্ট্রিয়াও একই কাজ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন অবশ্য শুধু হিজবুল্লাহর সামরিক শাখাকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রেখেছে।