advertisement
আপনি পড়ছেন

করোনাকালীন বিধিনিষেধ অমান্য করায় পদত্যাগের দাবির মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তাকে আর এই পদে দেখতে চান না দেশটির ৬৬ শতাংশ মানুষ। বিরোধী আইন প্রণেতারাও একই দাবি তুলেছেন।

boris johnson 1বরিস জনসন, ফাইল ছবি

রয়টার্স জানায়, ২০২০ সালের ২০ মে সরকারি শীর্ষ কর্মকর্তাদের ই-মেইল করে একটি পার্টিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বরিস। ওই আমন্ত্রণপত্রে ইচ্ছে হলে পাণীয় নিয়ে আসার কথাও বলা হয়, সেই পার্টিতে সস্ত্রীক ছিলেন বরিস।

সেই সময়ের একটি ই-মেইল গত সোমবার ফাঁস হলে সোরগোল পড়ে যায় যুক্তরাজ্যে। সেদিনই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে আয়োজনের বিষয়টি তদন্ত শুরুর কথা বিবৃতি দিয়ে জানায় পুলিশ।

corona in ukযুক্তরাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, ফাইল ছবি

খবরে বলা হয়, এ ঘটনায় বিরোধী লেবার পার্টির আইন প্রণেতাদের সঙ্গে নিজ দল কনজারভেটিভের অনেকে বরিসের পদত্যাগ চান। ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে দেশটির পার্লামেন্টে রীতিমতো ঘরে-বাইরে লড়াই করতে হবে তাকে।

স্থানীয় সময় আজ বুধবার ১২টায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিষয়টি নিয়ে বরিসকে প্রশ্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। যৌক্তিক উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে না পারলে নড়বড়ে হয়ে পড়বে তার অবস্থান।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার লকডাউনকাণ্ড নিয়ে সাভান্তা কমরেস একটি জরিপের ফল প্রকাশ করে, যাতে ৬৬ শতাংশ ব্রিটিশ বরিসের পদত্যাগ চান।