advertisement
আপনি পড়ছেন

করোনায় বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতি। কাজ হারিয়ে বিপাকে সাধারন মানুষ, কমেছে ক্রয়ক্ষমতা। কিন্তু সমাজের উঁচু অংশের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিত্তশালীদের ধনসম্পদ বেড়েছে হু হু করে। একইসাথে বৃদ্ধি পেয়েছে দামি জিনিস উপভোগের ইচ্ছাও। বিলাসবহুল গাড়ি? অবশ্যই। তা না হলে ল্যাম্বরগিনির ইতিহাসে এই প্রথম এত সংখ্যক গাড়ি বিক্রি হত না!

lamborghiniবিলাসবহুল ল্যাম্বরগিনি

গত বছর অতিমারি ও চিপের সংকটের মধ্যেও বিশ্বে ৮,৪০৫টি গাড়ি বিক্রি করেছে ল্যাম্বরগিনি। ইতালির লাক্সারি স্পোর্টস কার প্রস্তুতকারী সংস্থাটির ৫৯ বছরের ইতিহাসে যা সর্বোচ্চ। ২০২০ সালের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে ১৩ শতাংশ।

গেল বছর ল্যাম্বরগিনির সর্বাধিক বিক্রিত মডেল উরুস ল্যাম্বরগিনি। ২০২১-এ গোটা বিশ্বে এসইউভি গাড়িটির ৫,০২১ ইউনিট বিক্রি হয়েছে। তার পরেই রয়েছে হুরাকান৷ বিক্রি হয়েছে ২,৫৮৬টি। তৃতীয় স্থানে অভেনটাডোর ভি১২৷ বিক্রিত ইউনিটের পরিমাণ ৭৯৮টি।

lamborghini 01বিলাসবহুল ল্যাম্বরগিনি

বিক্রির নতুন মাইলফলক ছোঁয়ার প্রসঙ্গে ল্যাম্বরগিনির চেয়ারম্যান এবং সিইও স্টেফান উইঙ্কেলম্যান বলেন, ‘এই রেকর্ড আমাদের কৃতিত্বের কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করেছে, আমাদের কৌশলগত পরিকল্পনার দৃঢতা, আমাদের ব্র্যান্ডের অসামান্য আর্ন্তজাতিক খ্যাতি, এবং আমাদের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের ব্যতীক্রমী পেশাদারিত্ব। ৫২টি দেশের বাজারে ১৭৩ জন ডিলার এই কঠিন এবং অনিশ্চিত সময়েও বিনিয়োগ করে আমাদের প্রতি আস্থা রেখেছেন।’

উল্লেখ্য, ল্যাম্বোরগিনি অনেক দামি ও প্রিমিয়াম ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি করা গাড়ি। এর টায়ারে ব্যবহার করা হয় বিশেষভাবে তৈরি করা রাবার। বডিতে এমন কিছু ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা হয় যা সাধারণ গাড়িতে থাকে না।

ইঞ্জিনের রয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। দেখভালের পেছনেও খরচ আছে বিস্তর। এর মবিলের দাম সাধারণ গাড়ির চেয়ে ৫ গুণ বেশি।