advertisement
আপনি পড়ছেন

ইয়েমেনের একটি জেলখানায় বিমান হামলায় শতাধিক নিহত হয়েছেন। উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের বিদ্রোহী হুথি আন্দোলনের শক্ত ঘাঁটি সাদাতে গতকাল শুক্রবার এই হামলা চালানো হয়। হামলার নিন্দা করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, বাড়াবাড়ি বন্ধ করা দরকার। বিবিসি।

antenio guteresআন্তোনিও গুতেরেস

আজ শনিবার এক বিবৃতিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বিমান হামলার কথা অস্বীকার করেছে। জোটটি জানিয়েছে, ওই স্থানটি হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় নেই। তারা জাতিসংঘের সাথে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করে এবং রেড ক্রস হামলার বিষয়ে কোনো রিপোর্ট করেনি।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এই যুদ্ধে ১০ হাজারেরও বেশি শিশুসহ কয়েক হাজার বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। হাজার হাজার লোক আহত ও লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। জনসংখ্যার বেশিরভাগই দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

yemenইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলা, ফাইল ছবি

বিবিসির মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদদাতা আনা ফস্টার বলেছেন, বিমান হামলার কয়েক ঘণ্টা পরেও উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মৃতদেহ বের করে আনছেন এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের খুঁজে পাওয়ার আশা ম্লান হয়ে যাচ্ছে। মৃতের সঠিক সংখ্যা স্পষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চিকিৎসা সংস্থা এমএসএফ জানিয়েছে, অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

হুথিচালিত টেলিভিশনে দেখা যাচ্ছে, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করছে ও স্থানীয় হাসপাতালে আহতরা চিকিৎসাধীন। ইয়েমেনের এমএসএফ প্রধান আহমেদ মাহাত বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, বিমান হামলার স্থানে এখনও অনেক মৃতদেহ রয়েছে, অনেক নিখোঁজ রয়েছেন। কতজনকে হত্যা করা হয়েছে তা জানা অসম্ভব। এটি একটি ভয়ঙ্কর হামলা।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনও উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, সেভ দ্য চিলড্রেন এইড এজেন্সি জানিয়েছে, ইয়েমেনের দক্ষিণে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত বন্দর শহর হুদাইদাহতে একটি টেলিকমিউনিকেশন সুবিধায় বিমান হামলায় তিন শিশু নিহত হয়। এই হামলার কথা স্বীকার করেছে সৌদি সামরিক জোট। মূলত আমিরাতে হুথি হামলার পর থেকে তারাও হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে।